Thursday, 30 April 2026

কোরবানির পশু নির্বাচনে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?

 

কোরবানির পশু নির্বাচনে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসে, ততই মুসলিম সমাজে এক বিশেষ আবহ তৈরি হয়। বিশেষ করে ত্যাগ, আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা। কোরবানি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি মূলত তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির এক মহান শিক্ষা। আর এই ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সঠিক পশু নির্বাচন।

ধরা যাক, এক বাবা তার ছোট ছেলেকে নিয়ে কোরবানির হাটে গেলেন। ছেলেটি আনন্দে মেতে উঠলেও বাবা গভীর মনোযোগ দিয়ে একের পর এক পশু দেখছেন। কেন? কারণ তিনি জানেন কোরবানি কবুল হওয়ার সঙ্গে পশুর গুণগত মানের সম্পর্ক রয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, কোরবানির পশু নির্বাচনে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে-



১. পশুর বয়স:

গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হতে হবে, ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে এক বছর। তবে ছয় মাস বয়সী ভেড়া যদি দেখতে এক বছরের মতো হয়, তা গ্রহণযোগ্য।

২. শারীরিক সুস্থতা:

পশুটি হতে হবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও সবল। রোগাক্রান্ত, দুর্বল বা অস্বাভাবিক আচরণ করা পশু কোরবানির জন্য নির্বাচন করা ঠিক নয়।

৩. দৃশ্যমান ত্রুটি না থাকা:

অন্ধ, একচোখা, পঙ্গু, খুব বেশি ল্যাংড়া, কান বা লেজের বড় অংশ কাটা এ ধরনের ত্রুটিযুক্ত পশু কোরবানি করা উচিত নয়। ইসলামে কোরবানির পশুতে সৌন্দর্য ও পরিপূর্ণতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৪. মোটা-তাজা ও ভালোভাবে লালিত:

যদিও বেশি মাংস পাওয়ার জন্য নয়, তবে সুস্থভাবে লালিত-পালিত, পরিচ্ছন্ন ও যত্নে বড় করা পশু আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়। এক্ষেত্রে নিজ বাড়িতে লালন-পালন করা পশু সবচেয়ে ভালো হতে পারে।

এইসব বিষয় খেয়াল রেখে যখন একজন মুসলিম কোরবানির পশু নির্বাচন করেন, তখন সেটি শুধু একটি পরিপূর্ণ কোরবানির প্রস্তুতি হয়ে ওঠে। হাট থেকে ফেরার পথে সেই ছোট ছেলেটি বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আব্বু, এত কষ্ট করে ভালো পশু কেন নিলেন? বাবা মুচকি হেসে বলেন, কারণ আমরা আল্লাহর জন্য সেরা জিনিসটাই দিতে চাই। এই অনুভূতিই কোরবানির আসল সৌন্দর্য। বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, বরং আন্তরিকতা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা। কোরবানির পশু নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ধর্মীয় বিধান মেনে সচেতনভাবে পশু নির্বাচন করলে আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় হতে পারে ।

ইরানের ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ট্রাম্পকে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের

 

ইরানের ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ট্রাম্পকে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের
ফাইল ছবি

ইরানের সাথে চলমান দ্বন্দ্বে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশেষ করে ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তিতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করতে চায় মস্কো।

বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে প্রায় দেড় ঘণ্টা কথা হয়। সেখানেই পুতিন এমন আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প।





ওভাল অফিস থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তিনি (পুতিন) সহায়তা করতে চান। কিন্তু আমি বলেছি—আমাকে সহায়তা করার আগে আপনার নিজের যুদ্ধ (ইউক্রেন সংঘাত) শেষ করতে হবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “পুতিন আমাকে বলেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে চলা প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্ত হতে চান। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সহায়তা করতে পারেন।”

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, পুতিনের সঙ্গে তাঁর টেলিফোন আলাপ ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং ইউক্রেন সংঘাতের একটি সমাধান দ্রুতই আসতে পারে।

Sunday, 26 April 2026

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ৩ হাজার ২৮৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ২৯ হাজার ২৪৮ জন।





শনিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত বিশেষ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ৩টা পর্যন্ত মোট ৮১টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার ৫৩২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি ফ্লাইটে গেছেন ১৩ হাজার ৬৮৪ জন। সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের (সাউদিয়া) ৩০টি ফ্লাইটে পৌঁছেছেন ১১ হাজার ২৯৯ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৫৪৯ জন হজযাত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন।

এদিকে, এ বছর পবিত্র হজ পালনে সৌদি গিয়ে এখন পর্যন্ত দুই বাংলাদেশি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তারা হলেন— টাঙ্গাইলের সদরের মো. আবুল কাশেম ও জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল। টাঙ্গাইলের মো. আবুল কাশেম সৌদির মক্কায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল স্বাভাবিকভাবে মক্কায় মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ দিন ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট সৌদির উদ্দেশে যাত্রা করে। এ ফ্লাইট পরিচালনা শেষ হবে আগামী ২১ মে। ৩০ মে থেকে পুনরায় হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে, শেষ হবে ৩০ জুন। এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে যাবেন ৫ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।

হুমকির মুখে ‘জোরপূর্বক আলোচনায়’ যাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

 

হুমকির মুখে ‘জোরপূর্বক আলোচনায়’ যাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, চাপ, হুমকি বা অবরোধের মুখে তেহরান কোনোভাবেই জোরপূর্বক আলোচনায় প্রবেশ করবে না।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা।





পেজেশকিয়ান বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা সংলাপকে জটিল করে তুলছে। তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, যতদিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী কর্মকাণ্ড ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত থাকবে, ততদিন “বিশ্বাস পুনর্গঠন এবং সংলাপের পথে অগ্রগতি গুরুতর বাধার সম্মুখীন হবে”।

‘আরেকটি আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ইরান

 

‘আরেকটি আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করল ইরান


ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন করে কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানোর বিরুদ্ধে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছে।

ইরানের সামরিক বাহিনীর খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী যদি এই অঞ্চলে “অবরোধ, দস্যুতা ও জলদস্যুতা” অব্যাহত রাখে, তবে তারা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী পাল্টা জবাবের মুখোমুখি হবে।





রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম প্রকাশিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আরেকটি আগ্রাসনের ঘটনা ঘটলে আমরা আমেরিকান-জায়নবাদী শত্রুদের ওপর আরও গুরুতর আঘাত হানতে প্রস্তুত ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ইরান এই অঞ্চলে শত্রুপক্ষের কার্যক্রম ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ অব্যাহত রাখবে এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালীর ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে।

নতুন দুটি চন্দ্র খনিজ আবিষ্কারের ঘোষণা চীনের

 

নতুন দুটি চন্দ্র খনিজ আবিষ্কারের ঘোষণা চীনের
ছবি: সংগৃহীত।

চাঁদ থেকে আনা নমুনা বিশ্লেষণ করে নতুন দুটি খনিজের সন্ধান পেয়েছে চীন। শুক্রবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

চীনের ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএনএসএ) জানায়, চাং’ই-৫ মিশনের মাধ্যমে সংগৃহীত চাঁদের নমুনা থেকেই এই খনিজ দুটি শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই মিশন পৃথিবীতে ফিরে আসে এবং প্রায় ১,৭৩১ গ্রাম চাঁদের মাটি নিয়ে আসে, যা ছিল চীনের প্রথম সংগৃহীত চন্দ্র নমুনা এবং ৪৪ বছর পর পৃথিবীতে আনা প্রথম চাঁদের নমুনা।





নতুন খনিজগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে ম্যাগনেসিওচেঞ্জসাইট-(ওয়াই) এবং চেঞ্জসাইট-(সিই)। এর ফলে বিশ্বব্যাপী চাঁদে আবিষ্কৃত মোট খনিজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল আটটিতে।

এর আগে ২০২২ সালে চীনা বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো চাঁদে ‘চেঞ্জসাইট-(ওয়াই)’ নামের একটি খনিজ আবিষ্কার করেছিলেন।

চীনের সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংদুতে ২০২৬ সালের ‘স্পেস ডে অব চায়না’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিএনএসএ জানায়, আন্তর্জাতিক মিনারেলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের নতুন খনিজ, নামকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস কমিশন এই খনিজগুলোকে অনুমোদন দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে চাং’ই-৪ প্রোবের মাধ্যমে চাঁদের অদৃশ্য অংশে প্রথমবারের মতো সফল অবতরণ করে ইতিহাস গড়ে চীন।

Saturday, 25 April 2026

জিলকদ মাসের মাহাত্ম্য ও ফজিলত

জিলকদ মাসের মাহাত্ম্য ও ফজিলত

আরবি ক্যালেন্ডারের ১১তম মাস জিলকদ। আরবি উচ্চারণ ‘জুলকাআদাহ’। বাংলায় এর অর্থ-বসা বা বিশ্রাম করা। প্রাচীন আরবে এ মাসে যুদ্ধ-বিগ্রহ ও ব্যবসা থেকে প্রত্যাবর্তন করার প্রচলন ছিল। ঋতু পরিবর্তনে আরবদের জিলকদ মাসে কোনো কাজ না থাকায় ঘরে বসেই সময় কাটত। আর এ মাসে তারা যুদ্ধ-বিগ্রহ ও অপরাধমূলক কাজ থেকেও যথাসম্ভব বিরত থাকত। তাই এ মাসের নামকরণ জিলকদ করা হয়।

আরবি ১২ মাসের মধ্যে চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস রয়েছে। এর মধ্যে জিলকদ অন্যতম (বাকি তিনটি হচ্ছে জিলহজ, মহররম ও রজব)। এছাড়া, হজের তিন মাসের দ্বিতীয়টি জিলকদ। অন্য মাসগুলোর তুলনায় হারাম মাসগুলো আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয় বিধায় এতে করা নেককাজগুলোর প্রতিদান যেমন অধিক, খারাপ কাজের পরিণামও তেমনই ভয়াবহ





জিলকদ মাসের আগের চার মাস মুমিন-মুসলমানরা রজব, শাবান, রমজান, শাওয়ালের রোজাসহ অন্যান্য ইবাদতে ব্যস্ত সময় পার করেন। জিলকদের পরের দুমাস-অর্থাৎ, জিলহজ ও মহররম মাসে যথাক্রমে ৯ ও ১০টি নফল রোজার পাশাপাশি হজ ও কোরবানির মতো ফজিলতপূর্ণ ইবাদত রয়েছে। সে তুলনায় জিলকদ মাসে তেমন ইবাদত না থাকায় এটাকে মুমিন বান্দাদের বিশ্রামের মাস হিসেবে গণ্য করা হয়।

মুসলিম ইতিহাসে এ মাসে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঘটনা এবং তাৎপর্য বিদ্যমান। হুদায়বিয়ার সন্ধি ও বাইয়াতে রিদওয়ানের মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয় এ মাসে। ৮ জিলকদ হজ ফরজের হুকুম নাজিল হয়। এ তারিখেই পৃথিবীতে কাবার প্রথম ভিত্তি স্থাপিত হওয়ার বর্ণনাও রয়েছে। এছাড়া রাসুল (সা.)-এর জীবনে আদায় করা চারটি উমরাই আদায় করেছেন এ মাসে।

বাজারে প্রচলিত ভিত্তিহীন কিছু বইয়ে উল্লেখ থাকলেও পূর্বাপর মাসগুলোর মতো এ মাসে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত নেই। তবে হারাম মাস হিসেবে এ মাসে ইবাদতের ফজিলত অধিকতর। তাই সুন্নত ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিদের রোজা রাখা, প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা পালন করা এবং জিলহজে যাদের ওপর হজ ফরজ, হজের প্রস্তুতি সম্পন্ন করাই এ মাসের বিশেষ করণীয়।

কোরবানির পশু নির্বাচনে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?

  ছবি: সংগৃহীত ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসে, ততই মুসলিম সমাজে এক বিশেষ আবহ তৈরি হয়। বিশেষ করে ত্যাগ, আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষ...