Tuesday, 5 May 2026

কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে

 

কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে


ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার মহিমান্বিত উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহার অন্যতম প্রধান ইবাদত কোরবানি। কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং কোরবানির সঙ্গে মিশে আছে আল্লাহর প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসা, আত্মত্যাগের চেতনা এবং হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তার পুত্র ইসমাইল (আ.)-এর অনুপম ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতি।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন, অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশ্যে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো। (সুরা কাওসার, আয়াত : ২)





এ থেকে বোঝা যায়, কোরবানির মূল উদ্দেশ্য হলো ইখলাস ও আল্লাহভীতি অর্জন।

হাদিস শরীফেও কোরবানির গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও সে কোরবানি করে না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের কাছেও না আসে। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ২১২৩)

অন্য হাদিসে এসেছে , আদম সন্তানের জন্য কোরবানির দিনের আমলসমূহের মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় হলো কোরবানি করা। (তিরমিজি)

ইসলামের দৃষ্টিতে কোরবানি একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সামর্থ্যবান মুসলিম নর-নারীর ওপর ওয়াজিব। এখানে সামর্থ্যবান বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যার কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ রয়েছে।

কোরবানির জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ কতটুকু

১০ জিলহজ সুবহে সাদিক থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত যেই প্রাপ্তবয়ষ্ক, সুস্থ মস্তিষ্ক মুকিম মুসলিম নারী ও পুরুষের কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকবে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব হবে। 
নেসাব হল,  স্বর্ণের ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি। রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের সম্পদ। 

স্বর্ণ বা রুপার কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না হয় তবে স্বর্ণ-রুপা উভয়টি মিলে কিংবা এর সাথে প্রয়োজন-অতিরিক্ত অন্য বস্তুর মূল্য মিলে সাড়ে বায়ান্ন ভরি রুপার সমমূল্যের হয়ে যায়, তাহলে কোরবানী ওয়াজিব হবে। 

স্বর্ণ-রুপার অলঙ্কার, নগদ অর্থ, বাৎসরিক খোরাকীর জন্য প্রয়োজন হয় না এমন জমি এবং প্রয়োজন অতিরিক্ত আসবাবপত্র—সবই কোবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য। ফিকহের নির্ভরযোগ্য কিতাব আল মুহিতুল বুরহানিতেও এই মাসআলা উল্লেখ রয়েছে।

সহজভাবে বলা যায়, যার ওপর যাকাত ফরজ হয়, তার ওপর কোরবানিও ওয়াজিব। তবে যাকাতের মতো এখানে এক বছর অতিক্রান্ত হওয়া (হাওল) শর্ত নয়; বরং কোরবানির দিনগুলোতে নিসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেই কোরবানি ওয়াজিব হয়ে যায়।

ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি ট্রাম্পের

 

ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত

ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নকারী মার্কিন জাহাজগুলোর ওপর হামলা চালালে ইরানকে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা হবে।

ট্রাম্প বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ইরান এখন ‘অনেক বেশি নমনীয়’ হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই অঞ্চলে তিনি মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ওপরও জোর দিয়েছেন।





মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, আগের তুলনায় আমাদের কাছে এখন অনেক উন্নতমানের প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। আমাদের কাছে সেরা সব সরঞ্জাম আছে। সারা বিশ্বে আমাদের সামরিক সরঞ্জাম ও ঘাঁটি ছড়িয়ে আছে। সেগুলো সরঞ্জামে পরিপূর্ণ। আমরা সেই সবকিছুই ব্যবহার করতে পারি এবং প্রয়োজন হলে আমরা তা করব।

কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে

 

কোন কোন মুসলিম প্রার্থী জিতল পশ্চিমবঙ্গে
ফাইল ছবি: সংগৃহীত


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে একাধিক মুসলিম প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। বিশেষ করে কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগণা, মালদা ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন আসনে মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরাই বেশি সংখ্যক বিজয়ী হয়েছেন। পাশাপাশি আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম এবং এজেইউপির কয়েকজন প্রার্থীও জয় পেয়েছেন।

রাজধানী কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র কসবা বিধানসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী, বিদায়ী বিধায়ক ও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাভেদ খান আবারও জয় ধরে রেখেছেন। তিনি ২০ হাজার ৯৭৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। কলকাতার আরেক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের ফিরহাদ হাকিম ৫৬ হাজার ৪৯০ ভোটে জয়লাভ করেন। মেটিয়াব্রুজ কেন্দ্রেও বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী আবদুল খালেক মোল্লা; তিনি ৮৭ হাজার ৮৭৯ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন।





মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম প্রার্থীদের মধ্যে তৃণমূলের শক্তিশালী উপস্থিতি দেখা গেছে। জলঙ্গী কেন্দ্র থেকে বাবর আলি, হরিহরপাড়া থেকে নিয়ামত সেখ, শামশেরগঞ্জ থেকে মুহাম্মদ নূর আলম, ভরতপুর থেকে মুস্তাফিজুর রহমান এবং সাগরদিঘি থেকে বায়রন বিশ্বাস জয়ী হয়েছেন। একই জেলার রেজিনগর ও নওদা কেন্দ্র থেকে এজেইউপি প্রার্থী হুমায়ুন কবীরও বিজয় অর্জন করেছেন।

উত্তর ২৪ পরগণায় তৃণমূলের আনিসুর রহমান বিদেশ দেগঙ্গা কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন। হাড়োয়া থেকে আবদুল মাতিন এবং বসিরহাট উত্তর থেকে তৌসিফুর রহমানও তৃণমূলের হয়ে বিজয়ী হয়েছেন। বসিরহাট কেন্দ্র থেকে জয় পেয়েছেন বুরহানুল মুকাদ্দিম লিটন।

দক্ষিণ ২৪ পরগণার ভাঙড় কেন্দ্র থেকে আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকী জয়লাভ করে আলোচনায় রয়েছেন। ক্যানিং পূর্বে বাহারুল ইসলাম এবং মগরাহাট পশ্চিমে শামীম আহমেদ তৃণমূলের হয়ে জয় পেয়েছেন।

মালদার সুজাপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাবিনা ইয়াসমিন এবং বীরভূমের হাসন কেন্দ্র থেকে কাজল শেখ বিজয়ী হয়েছেন।

অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলোর মধ্যেও কয়েকজন মুসলিম প্রার্থী সাফল্য পেয়েছেন। মুর্শিদাবাদের ফারাক্কা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের মাহাতাব শেখ, রাণীনগর থেকে কংগ্রেসের জুলফিকার আলি এবং ডোমকল কেন্দ্র থেকে সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়লাভ করেছেন। এছাড়াও রেয়াত হোসেন সরকার (তৃণমূল, ভগবানগোলা), ডা. আবদুল আজিজ (তৃণমূল, লালগোলা), ঈমানি বিশ্বাস (তৃণমূল, সুতি), আখরুজ্জামান (তৃণমূল) এবং নজরুল ইসলাম তৃণমূল-মোথাবাড়ি থেকে জয়লাভ করেছেন।

সব মিলিয়ে এবারের নির্বাচনে মুসলিম অধ্যুষিত ও সংখ্যালঘু ভোটপ্রবণ আসনগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেস বড় ধরনের প্রভাব বজায় রাখলেও, কিছু গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আইএসএফ, কংগ্রেস, সিপিএম ও এজেইউপির উপস্থিতিও চোখে পড়েছে।

Thursday, 30 April 2026

কোরবানির পশু নির্বাচনে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?

 

কোরবানির পশু নির্বাচনে কী কী বিষয়ে খেয়াল রাখবেন?
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসে, ততই মুসলিম সমাজে এক বিশেষ আবহ তৈরি হয়। বিশেষ করে ত্যাগ, আনুগত্য ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আকাঙ্ক্ষা। কোরবানি শুধু একটি ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি মূলত তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির এক মহান শিক্ষা। আর এই ইবাদতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সঠিক পশু নির্বাচন।

ধরা যাক, এক বাবা তার ছোট ছেলেকে নিয়ে কোরবানির হাটে গেলেন। ছেলেটি আনন্দে মেতে উঠলেও বাবা গভীর মনোযোগ দিয়ে একের পর এক পশু দেখছেন। কেন? কারণ তিনি জানেন কোরবানি কবুল হওয়ার সঙ্গে পশুর গুণগত মানের সম্পর্ক রয়েছে। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, কোরবানির পশু নির্বাচনে কিছু বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে-



১. পশুর বয়স:

গরু ও মহিষের ক্ষেত্রে কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হতে হবে, ছাগল ও ভেড়ার ক্ষেত্রে এক বছর। তবে ছয় মাস বয়সী ভেড়া যদি দেখতে এক বছরের মতো হয়, তা গ্রহণযোগ্য।

২. শারীরিক সুস্থতা:

পশুটি হতে হবে সম্পূর্ণ সুস্থ ও সবল। রোগাক্রান্ত, দুর্বল বা অস্বাভাবিক আচরণ করা পশু কোরবানির জন্য নির্বাচন করা ঠিক নয়।

৩. দৃশ্যমান ত্রুটি না থাকা:

অন্ধ, একচোখা, পঙ্গু, খুব বেশি ল্যাংড়া, কান বা লেজের বড় অংশ কাটা এ ধরনের ত্রুটিযুক্ত পশু কোরবানি করা উচিত নয়। ইসলামে কোরবানির পশুতে সৌন্দর্য ও পরিপূর্ণতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

৪. মোটা-তাজা ও ভালোভাবে লালিত:

যদিও বেশি মাংস পাওয়ার জন্য নয়, তবে সুস্থভাবে লালিত-পালিত, পরিচ্ছন্ন ও যত্নে বড় করা পশু আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয়। এক্ষেত্রে নিজ বাড়িতে লালন-পালন করা পশু সবচেয়ে ভালো হতে পারে।

এইসব বিষয় খেয়াল রেখে যখন একজন মুসলিম কোরবানির পশু নির্বাচন করেন, তখন সেটি শুধু একটি পরিপূর্ণ কোরবানির প্রস্তুতি হয়ে ওঠে। হাট থেকে ফেরার পথে সেই ছোট ছেলেটি বাবাকে জিজ্ঞেস করে, আব্বু, এত কষ্ট করে ভালো পশু কেন নিলেন? বাবা মুচকি হেসে বলেন, কারণ আমরা আল্লাহর জন্য সেরা জিনিসটাই দিতে চাই। এই অনুভূতিই কোরবানির আসল সৌন্দর্য। বাহ্যিক আড়ম্বর নয়, বরং আন্তরিকতা, সততা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা। কোরবানির পশু নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই ধর্মীয় বিধান মেনে সচেতনভাবে পশু নির্বাচন করলে আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় হতে পারে ।

ইরানের ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ট্রাম্পকে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের

 

ইরানের ইউরেনিয়াম ইস্যুতে ট্রাম্পকে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের
ফাইল ছবি

ইরানের সাথে চলমান দ্বন্দ্বে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশেষ করে ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তিতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করতে চায় মস্কো।

বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে প্রায় দেড় ঘণ্টা কথা হয়। সেখানেই পুতিন এমন আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প।





ওভাল অফিস থেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “তিনি (পুতিন) সহায়তা করতে চান। কিন্তু আমি বলেছি—আমাকে সহায়তা করার আগে আপনার নিজের যুদ্ধ (ইউক্রেন সংঘাত) শেষ করতে হবে।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, “পুতিন আমাকে বলেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে চলা প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্ত হতে চান। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সহায়তা করতে পারেন।”

এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, পুতিনের সঙ্গে তাঁর টেলিফোন আলাপ ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং ইউক্রেন সংঘাতের একটি সমাধান দ্রুতই আসতে পারে।

Sunday, 26 April 2026

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

সৌদি আরবে পৌঁছালেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী

ছবি: সংগৃহীত

আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে এখন পর্যন্ত সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৩২ হাজার ৫৩২ জন বাংলাদেশি হজযাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ৩ হাজার ২৮৪ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ২৯ হাজার ২৪৮ জন।





শনিবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত বিশেষ পোর্টালের আইটি হেল্পডেস্কের প্রতিদিনের বুলেটিন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বুলেটিন অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ৩টা পর্যন্ত মোট ৮১টি ফ্লাইটে ৩২ হাজার ৫৩২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৩৩টি ফ্লাইটে গেছেন ১৩ হাজার ৬৮৪ জন। সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনসের (সাউদিয়া) ৩০টি ফ্লাইটে পৌঁছেছেন ১১ হাজার ২৯৯ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ১৮টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৫৪৯ জন হজযাত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন।

এদিকে, এ বছর পবিত্র হজ পালনে সৌদি গিয়ে এখন পর্যন্ত দুই বাংলাদেশি মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তারা হলেন— টাঙ্গাইলের সদরের মো. আবুল কাশেম ও জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল। টাঙ্গাইলের মো. আবুল কাশেম সৌদির মক্কায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান। জয়পুরহাট সদরের মো. নইম উদ্দীন মণ্ডল স্বাভাবিকভাবে মক্কায় মারা গেছেন বলে জানা গেছে।

চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এ দিন ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের প্রথম ডেডিকেটেড ফ্লাইট সৌদির উদ্দেশে যাত্রা করে। এ ফ্লাইট পরিচালনা শেষ হবে আগামী ২১ মে। ৩০ মে থেকে পুনরায় হজযাত্রীদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে, শেষ হবে ৩০ জুন। এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ করতে যাবেন ৫ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় যাবেন ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন।

হুমকির মুখে ‘জোরপূর্বক আলোচনায়’ যাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

 

হুমকির মুখে ‘জোরপূর্বক আলোচনায়’ যাবে না ইরান: পেজেশকিয়ান

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, চাপ, হুমকি বা অবরোধের মুখে তেহরান কোনোভাবেই জোরপূর্বক আলোচনায় প্রবেশ করবে না।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা।





পেজেশকিয়ান বলেন, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, যা সংলাপকে জটিল করে তুলছে। তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন, যতদিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী কর্মকাণ্ড ও কৌশলগত চাপ অব্যাহত থাকবে, ততদিন “বিশ্বাস পুনর্গঠন এবং সংলাপের পথে অগ্রগতি গুরুতর বাধার সম্মুখীন হবে”।

কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি ওয়াজিব হবে

  ত্যাগ, আনুগত্য ও তাকওয়ার মহিমান্বিত উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদুল আজহার অন্যতম প্রধান ইবাদত কোরবানি। কোরবানি শুধু পশু জবাইয়ের নাম নয়; বরং কো...