Wednesday, 18 March 2026

জাকাত আদায় করা যায় যে ৮ খাতে

 

জাকাত আদায় করা যায় যে ৮ খাতে

ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম হলো জাকাত। এটি শুধু একটি আর্থিক ইবাদত নয়, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা। জাকাতের মাধ্যমে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে সম্পদের সুষম বণ্টন নিশ্চিত হয় এবং সমাজে দারিদ্র্য লাঘবে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ইসলামের দৃষ্টিতে জাকাত গরিবদের প্রতি ধনীদের অনুগ্রহ নয়, বরং এটি তাদের প্রাপ্য অধিকার।

কোরআন ও সুন্নাহতে জাকাতের বিধান, এর খাত এবং প্রাপকদের স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে সমাজে একটি কল্যাণমুখী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

জাকাত গরিবের অধিকার : জাকাত ধনীদের সম্পদে গরিবদের অধিকার। এ জন্য জাকাত আদায়কারীর নিজ দায়িত্বে জাকাতের সম্পদ জাকাত গ্রহিতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া কর্তব্য। আল্লাহ বলেন, ‘এবং তাদের (ধনীদের) ধন-সম্পদে আছে অভাবী ও বঞ্চিতদের অধিকার।’ (সুরা : জারিয়াত, আয়াত : ১৯)

জাকাতের খাত: পবিত্র কোরআনে আট শ্রেণির লোকদের জাকাত প্রদানের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেন, জাকাত হলো শুধু ফকির, মিসকিন, জাকাত উসুলের কাজে নিয়োজিত কর্মচারী এবং যাদের মনোরঞ্জন করা উদ্দেশ্য তাদের হক। আর তা দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তের ঋণ পরিশোধ এবং আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের সাহায্যেও ব্যয় করা হবে। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৬০)

আট শ্রেণির লোকদের বিবরণ নিম্নরূপ :

১. ফকির: যার মালিকানায় জাকাতের নিসাব পরিমাণ সম্পদ নেই, যদিও সে কর্মক্ষম বা কর্মরত হয়।

২. মিসকিন: যার মালিকানায় কোনো ধরনের সম্পদ নেই; একেবারেই নিঃস্ব ও অসহায়।

৩. আমিল: জাকাত সংগ্রহকারী বা ইসলামী রাষ্ট্রের বাইতুল মাল কর্তৃক জাকাত সংগ্রহে নিয়োজিত কর্মকর্তারা। তাদের সংগৃহীত জাকাত থেকে বেতন-ভাতা প্রদান করা হয়।

তবে বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জাকাত সংগ্রহকারীদের জাকাত থেকে পারিশ্রমিক দেওয়া শরিয়তসম্মত নয়।

৪. মুআল্লাফাতুল কুলুব: অমুসলিমদের ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করা বা নতুন মুসলমানদের সহায়তার উদ্দেশ্যে জাকাত প্রদান করা। ইসলামের বিজয় ও মর্যাদা লাভের পর প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ায় অমুসলিমদের জাকাত দেওয়ার বিধান রহিত হয়ে যায়। তবে নওমুসলিমকে পুনর্বাসনের জন্য জাকাত দেওয়া যেতে পারে।

৫. দাস মুক্তি: দাস-দাসিদের মুক্ত করার জন্য জাকাত প্রদান করা যায়। বর্তমানে এ ব্যবস্থা প্রায় বিলুপ্ত।

৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি: এমন ঋণগ্রস্ত ও অসহায় ব্যক্তি, যার ঋণ পরিশোধ করার সামর্থ্য নেই।

৭. ফি সাবিলিল্লাহ: যে মুসলমান আল্লাহর পথে নিয়োজিত। যেমন—দ্বিনের খিদমত, জিহাদ বা দ্বিনি জ্ঞান অর্জনের পথে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় অর্থের অভাব আছে।

৮. মুসাফির: কোনো ব্যক্তি নিজ দেশে সম্পদশালী হলেও সফরের সময় অর্থশূন্য হয়ে পড়লে তাকে বাড়ি পৌঁছানোর পরিমাণ জাকাত দেওয়া যায়। উল্লিখিত যেকোনো একটি খাতে জাকাত প্রদান করলে জাকাত আদায় হয়ে যায়।

যাদের জাকাত দেওয়া উত্তম: নিকটাত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে যারা অভাবগ্রস্ত, তাদের জাকাত দেওয়া উত্তম। এতে জাকাতের সওয়াবের পাশাপাশি আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষার সওয়াবও অর্জিত হয়।

যাদের জাকাত দেওয়া যাবে না: নিজ সন্তান বা তাদের অধস্তন, মা-বাবা বা ঊর্ধ্বতন আত্মীয় এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে জাকাত দেওয়া যায় না। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বংশধররাও জাকাত গ্রহণ করতে পারেন না।

জাকাত প্রদানের ক্ষেত্রে শর্ত হলো—গ্রহীতাকে সম্পদের পূর্ণ মালিকানা দিতে হবে। এ জন্য যেসব কাজে ব্যক্তিগত মালিকানা সৃষ্টি হয় না, যেমন—মসজিদ, রাস্তা, মাদরাসার স্থাপনা, কবরস্থান বা এতিমখানার ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সরাসরি জাকাতের অর্থ ব্যয় করা যায় না। তবে গরিব-এতিম ছাত্রদের জাকাত দেওয়া যায়। জাকাতের অর্থ দিয়ে অভাবী ব্যক্তিকে স্বাবলম্বী করার জন্য ক্ষুদ্র ব্যবসার পুঁজি দেওয়া, ব্যক্তিমালিকানায় নলকূপ বা কৃষি সরঞ্জাম প্রদান করা কিংবা গৃহনির্মাণ করে তাকে মালিক বানিয়ে দেওয়া বৈধ। এ ছাড়া বিধবা ও এতিমের সহায়তা, চিকিৎসা, গরিব ছেলেমেয়ের বিবাহ এবং দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষাব্যয়ে জাকাত প্রদান করা যায়। মূল শর্ত হলো—জাকাতের অর্থের মালিকানা অভাবী ব্যক্তির হাতে ন্যস্ত করতে হবে।

পরিশেষে বলা যায়, জাকাত ইসলামী অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যা সমাজে ন্যায়ভিত্তিক সম্পদ বণ্টন নিশ্চিত করে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণ সাধন করে। যথাযথভাবে জাকাত আদায় ও বণ্টনের মাধ্যমে দারিদ্র্য হ্রাস, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং মানবিক সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

রমজানের শেষ সময়ে যে তিন কাজ করা বেশি জরুরি

 

রমজানের শেষ সময়ে যে তিন কাজ করা বেশি জরুরি

পবিত্র মাহে রমজান আমাদের কাছ থেকে বিদায় নিচ্ছে। ইবাদত-বন্দেগির এই মাসটি শেষ করার সর্বোত্তম উপায় হলো মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা। কারণ, ইস্তিগফারের মাধ্যমে যেকোনো ভালো কাজের সমাপ্তি মানবজীবনের জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

রমজানের এই শেষ দিনগুলোতে করণীয় তুলে ধরা হলো-


বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা

নামাজ শেষ করে আমরা যেমন তিনবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়ি কিংবা হজ শেষ করি তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে, ঠিক তেমনি রমজানও শেষ করা উচিত ক্ষমা প্রার্থনার মধ্য দিয়ে। কারণ, মানুষ হিসেবে আমাদের ইবাদত-বন্দেগিতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে। রোজা রেখে আমরা হয়তো কোনোদিন রেগে গিয়েছি, অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু দেখে ফেলেছি কিংবা মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছি। এই সব ছোটখাটো ভুল সংশোধনের জন্যই রমজানের শেষ মুহূর্তে আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি কান্নাকাটি করা প্রয়োজন।

সদকাতুল ফিতর আদায়

ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, সদকাতুল ফিতর হলো- এক ধরনের ইস্তিগফার। নামাজে ভুল হলে যেমন ‘সাহু সেজদা’ দিয়ে তা পূর্ণতা দেওয়া হয়, তেমনি রোজার ভুলত্রুটি দূর করতে সদকাতুল ফিতর আদায় করা জরুরি। এটি আমাদের অনর্থক কথা বা ভুল কাজের গুনাহ থেকে পবিত্র করে। তাই ইস্তিগফারের পাশাপাশি দ্রুত ফিতরা আদায় নিশ্চিত করতে হবে।

সময়ের সঠিক মূল্যায়ন

রমজান শুরুর দিনটির কথা ভাবুন। মনে হচ্ছে না যেন এই তো সেদিনের কথা? চোখের পলকেই ৩০টি দিন পেরিয়ে গেল। সময় এতটাই দ্রুতগতিতে চলে যায় যে একে কেউ ধরে রাখতে পারে না। রমজানের এই ক্ষণস্থায়ী রূপ আমাদের জীবনের নশ্বরতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয়। রমজান শেষ হচ্ছে আমরা জানি, কিন্তু আমাদের জীবন কবে শেষ হবে তা আমরা জানি না। তাই সময়ের এই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে আল্লাহর সঙ্গে সব সময়ের জন্য একটি মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত।

সবশেষে মনে রাখা প্রয়োজন, শুধু ইবাদত করাই বড় কথা নয়, বরং সেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখন থেকেই কায়মনোবাক্যে দোয়া করুন,‘হে আল্লাহ! আমাদের রোজা কবুল করো, আমাদের দান-সদকা কবুল করো।’

Tuesday, 17 March 2026

রোজার আমল বছরজুড়ে

 

রোজার আমল  বছরজুড়ে


আমরা রমজান মাসের বিদায় লগ্নে উপনীত। সিয়াম-কিয়ামের মাস, রোজা ও তারাবির মাস শেষ হলেও মোমিনের আমল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শেষ হবে না। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আপনি আপনার প্রভুর ইবাদত করুন, আপনার মৃত্যু আসা পর্যন্ত।’ (সুরা হিজর : ৯৯)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে, তখন তার আমল বন্ধ হয়ে যায়।’ (তিরমিজি : ১৩৭৬)। এখানে একমাত্র মৃত্যুকেই মানুষের আমলের পরিসমাপ্তি ধরা হয়েছে।

সুতরাং রমজান মাসের রোজা শেষ হলেও ঈমানদারের আমল বন্ধ হয়ে যাবে না। রমজানের পরও থাকবে রোজার আমল। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজানে সিয়াম পালন করবে, অতঃপর শাওয়ালের আরো ছয়টি সিয়াম পালন করবে, সে সারা বছর সিয়াম রাখার সমতুল্য সওয়াবপ্রাপ্ত হবে।’ (মুসলিম : ১১৬৪)। এছাড়া প্রতি মাসে আছে তিনটি করে রোজা। রাসুল (সা.) বলেন, ‘প্রতি মাসে তিনটি এবং এক রমজানের পর পরবর্তী রমজানেও সিয়াম পালন করা সারা বছর সিয়াম পালনের সমান।’ (মুসলিম : ১১৬২)। আছে সাপ্তাহিক সোম ও বৃহস্পতিবারের রোজা। নবীপত্নী আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালন করার ব্যাপারে যত্নবান ছিলেন।’ (তিরমিজি : ৭৪৫)।

তারাবি শেষ হলেও রাতে নফল নামাজ বন্ধ হবে না। বছরজুড়ে প্রতি রাতেই তাহাজ্জুদ নামাজ অশেষ ফজিলতের সুন্নত। রাসুল (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের (তাহাজ্জুদ) সালাত।’ (মুসলিম : ১১৬৩)। রমজানের মতো সারা বছরই শেষ রাতে দোয়া ও প্রার্থনার সুবর্ণ সুযোগ অবারিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহতায়ালা প্রতি রাতে এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকতে (শেষ রাতে) প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হয়ে বলতে থাকেন, আছে কেউ ডাকার আমি তার ডাকে সাড়া দেব? আছে কেউ চাওয়ার যাকে আমি দান করব? কেউ আছে আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার আমি তাকে ক্ষমা করে দেব।’ (বোখারি : ১১৪৫)।

তাছাড়া রয়েছে দৈনিক ১২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ। ৪ রাকাত জোহরের আগে ও ২ রাকাত পরে। ২ রাকাত মাগরিবের পর। ২ রাকাত ইশার পর ও ২ রাকাত ফজরের আগে। উম্মে হাবিবা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) এর কাছে শুনেছি, ‘যদি কোনো মুসলিম বান্দা ফরজ ছাড়া ১২ রাকাত সুন্নত নামাজ প্রতিদিন আদায় করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন।’ (মুসলিম : ৭২৮)। আরো রয়েছে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর কিছু জিকির। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যখন তোমরা নামাজ সম্পন্ন কর, তখন দণ্ডায়মান, উপবিষ্ট ও শায়িত অবস্থায় আল্লাহকে স্মরণ কর।’ (সুরা নিসা : ১০৩)।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবার ৩৩ বার মোট ৯৯ বার এবং সব শেষে ১০০ পূর্ণ করতে বলবে- ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন কাদির’ তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হলেও আল্লাহ তা মাফ করে দেবেন।’ (মুসলিম : ৫৯৭)

ইরাকে মার্কিন সেনা ও ইরানপন্থি গোষ্ঠীর সংঘাতে নিহত ৪

 

ইরাকে মার্কিন সেনা ও ইরানপন্থি গোষ্ঠীর সংঘাতে নিহত ৪
ছবি: সংগৃহীত


ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন সেনা ও ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি ইরানপন্থি গোষ্ঠীর ব্যবহৃত ভবনে বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছে।

এ ছাড়া বাগদাদের উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত গ্রিন জোনে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী ও নিরাপত্তা সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।

বাগদাদের জাদরিয়া এলাকায় এই প্রাণঘাতী হামলার কিছুক্ষণ আগেই মার্কিন দূতাবাস প্রাঙ্গণের কাছ থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

আলজাজিরার তরফে যাচাইকৃত ভিডিও ও স্থিরচিত্রে দেখা গেছে, মার্কিন দূতাবাসের কাছ থেকে আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। অন্যান্য ফুটেজে দূতাবাসের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বেশ কিছু ড্রোন মাঝপথে রুখে দিতে দেখা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে দূতাবাসের ‘সি-র‍্যাম’ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অন্তত দুটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। তবে একটি ড্রোন দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতরে আছড়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় যে আগুন ও ধোঁয়া দেখা গেছে, তা দূতাবাস প্রাঙ্গণের ভেতর থেকেই উঠছিল।

Saturday, 14 March 2026

জাকাতের সরকারি ব্যবস্থাপনায়


জাকাতের সরকারি ব্যবস্থাপনায়

পৃথিবীর গতানুগতিক অন্যান্য অর্থব্যবস্থায় অক্ষম লোকদের জন্য সম্পদের যে অংশ রয়েছে, তা কেবলই বিত্তশালীদের করুণা। বিত্তশালীরা ইচ্ছা করলে দুর্বলদের দেবে, ইচ্ছা না করলে দেবে না। কিন্তু ইসলামই একমাত্র অর্থব্যবস্থা, যেখানে অক্ষমতার দরুন উৎপাদনে সম্পৃক্ত হতে না পারা দুর্বল ও দরিদ্রদের হাতে সম্পদের একটি অংশ বাধ্যতামূলকভাবে যাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তা-ই জাকাত। জাকাত ফরজ হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ধনীরা গরিবদের প্রতি এক ধরনের ঋণী হয়ে যায়। ঋণের ক্ষেত্রে তার পাওনাদার খুঁজে বের করে অথবা তার বাড়িতে গিয়ে দিয়ে আসা তার কর্তব্য; তা দিয়ে না আসা পর্যন্ত যেমন সে দায়মুক্ত হয় না, তেমনি জাকাতদাতাও এর হকদারের কাছে ঋণী। জাকাতের হকদারকে খুঁজে বের করে তাদের হাতে তা পৌঁছে না দেওয়া পর্যন্ত সে দায়মুক্ত নয়। জাকাত ইসলামি অর্থব্যবস্থার মেরুদণ্ড; গরিব-ধনীর সেতুবন্ধ।

বাংলাদেশের বিত্তশালী মুসলিমরা জাকাত দেন। কিন্তু এর প্রাতিষ্ঠানিক ও সরকারি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় দারিদ্র্য বিমোচনে তেমন ফলপ্রসূ ভূমিকা থাকছে না। উল্টো জাকাত আনতে গিয়ে দুর্ঘটনায় স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় তিন শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। সুষ্ঠু সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় জাকাত হতে পারে দ্রুততম সময়ে দারিদ্র্য বিমোচনের একমাত্র মাধ্যম। এ বছরের ২৯ জানুয়ারি ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে চতুর্দশ জাকাত ফেয়ার উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশে সুষ্ঠুভাবে জাকাত আদায় করা হলে এক লাখ কোটি টাকা জাকাত আদায় করা সম্ভব। (যুগান্তর : ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬)। আসলেই কি এত টাকা জাকাত আদায় করা সম্ভব?

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে শুধু ব্যাংকে জমাকৃত অর্থের হিসেবে কোটিপতির সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি। (যুগান্তর : ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫)। শুধু গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে এই ১ লাখ ২৮ হাজার কোটিপতির সম্পদ ও তাদের জাকাত কত আসতে পারে, তার একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে। ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি দৈনিক প্রথম আলোয় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, শীর্ষ ২১ কোটিপতির সম্পদ পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি। এছাড়া ২৮ হাজার ৯৩১ জনের সম্পদ ১০ কোটি থেকে ৫৩ কোটি টাকা। তাদের সম্পদ থেকেই সম্ভাব্য জাকাত আসে ২৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। ২০২৩ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি দৈনিক বণিকবার্তায় প্রকাশিত শীর্ষ ধনীদের এক তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, ৩০ হাজার ৫৫৯ জন শীর্ষ ধনীর সম্পদ থেকে জাকাত আসতে পারে ৩৪ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা। বাকি ৯৭ হাজার কোটিপতির সম্পদ থেকে সম্ভাব্য জাকাত আসে ১২ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এতে দেখা যায়, শুধু ব্যাংকে জমাকৃত টাকার হিসেবে থাকা বিত্তশালীদের সম্পদ থেকেই প্রায় ৪৫-৫০ হাজার কোটি টাকা জাকাত আদায় করা যেতে পারে। এ তো শুধু ব্যাংকে জমাকৃত টাকার হিসেবে। ব্যাংকের বাইরে অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির হাতে থাকা অর্থ ও ব্যবসায়ী পণ্যের জাকাত যদি হিসেবে করা হয়, তাহলে আদায়যোগ্য জাকাত লাখ কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। আর জাকাত তো ইবাদত। তাতে সম্পদের মালিক স্বেচ্ছায় আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই ফাঁকি না দিয়ে হিসেব করে দেবেন। ফলে জাকাতের সংগ্রহ অনায়াসেই লাখ কোটি টাকা ছাড়াবে।

আদায়যোগ্য এ এক লাখ কোটি টাকা জাকাতের মাধ্যমে সুষ্ঠু পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় পাঁচ বছরের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে আল্লাহর বিধান জাকাত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে দারিদ্র্যকে সমূলে উৎপাটন করা সম্ভব। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩২০ এবং প্রত্যেক পরিবারে গড়ে রয়েছে ৪ দশমিক ১৯ জন সদস্য। (দৈনিক কালবেলা : ২ এপ্রিল, ২০২৪)। ভূমিহীন ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৩২০টি পরিবার বা ৬৭ লাখ ৩৫ হাজার ৫১৭ জন মানুষের বিপরীতে আদায়যোগ্য জাকাত এক লাখ কোটি টাকা। যদি ৮০ হাজার কোটি টাকাও বছরে জাকাত আদায় করা যায়, তাহলে প্রথম বছরেই প্রায় ১৬ লাখ ভূমিহীন পরিবারকে পাঁচ লাখ করে জাকাতের অর্থ প্রদান করা যাবে এবং প্রত্যেক পরিবারে থাকা ৪ দশমিক ১৯ জনকে মাথাপিছু এক লাখেরও বেশি টাকা দিয়ে ব্যবসায়ী পণ্য বা ক্ষুদ্র ব্যবসার মূলধন, পশু পালন, রিকশা, সেলাই মেশিন, ভ্যান ও কৃষি সহায়তা দিয়ে কর্মসংস্থান তৈরি করে তাদের দারিদ্র্যসীমার ওপরে নিয়ে আসা যাবে।

দ্বিতীয় বছর আবার জাকাত আসবে অন্তত ৮০ হাজার কোটি টাকা। তখন তো আর ভূমিহীন পরিবার নেই। জাকাত ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান তখন এমন ব্যবসায়ীদের খুঁজে বের করবে, যাদের দোকান আছে কিন্তু মালামাল নেই। তারা এমন কৃষকদেরও খুঁজে বের করবে, যারা অর্থের অভাবে জমি চাষ করতে পারছেন না; পাশাপাশি ঋণগ্রস্ত ও অভাবগ্রস্ত মানুষদেরও শনাক্ত করবে। এমন ১৬ লাখ পরিবারকে প্রদান করবে পাঁচ লাখ টাকা করে। এভাবে চার বছরে ৬৪ লাখ পরিবারকে দারিদ্র্যসীমার উপরে নিয়ে আসতে পারবে। তিন-চার বছরে জাকাতের সংগ্রহ আরো বাড়বে, কারণ আগের তিন-চার বছরে জাকাত পাওয়া ৬৪ লাখ পরিবার থেকে অন্তত ২০-৩০ লাখ পরিবার আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হয়ে তারাও কিছু কিছু জাকাত দেবে। পঞ্চম বছরে দেখা যাবে, জাকাতের দাতা বাড়ছে, গ্রহীতা কমছে; কিন্তু এই ১ লাখ বা ৮০ হাজার কোটি টাকা জাকাত যাদের সম্পদ থেকে আদায় করা হবে, তাদের কি কোনো ক্ষতি হবে? কিছুতেই না। কারণ তা আদায় করা হবে জীবন-জীবিকার অতিরিক্ত সম্পদ থেকে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদেরও পুরোটা নেওয়া হবে না, নেওয়া হবে মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ। নেওয়া হবে ওই মালিকের নির্দেশে, যিনি তাকে এত সম্পদের মালিক বানালেন, যিনি চাইলেই তাকে ফকির বানিয়ে রাখতে পারতেন। ভূমিহীন, ঋণগ্রস্ত ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ প্রদানের পাশাপাশি কয়েক হাজার কোটি টাকা বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষায় দরিদ্র মুসলিম শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করলে তারা পরিবারগুলোকে দাঁড় করাতে পারবে। হিজড়াসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়তে কর্মমুখী শিক্ষার ব্যবস্থা করা যাবে।

জাকাত ব্যক্তিপর্যায়েও প্রদান করা যায়। বেসরকারিভাবে বিশ্বস্ত সংস্থাগুলো সে কাজ করতে পারে। পৃথিবীর বিভিন্ন মুসলিম দেশে বেসরকারিভাবেও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের মডেল রয়েছে। কিন্তু জনগণ আস্থা রাখতে পারবে, জাকাতের এমন সরকারি ব্যবস্থাপনা ইসলামি সরকারের অন্যতম মৌলিক কাজ, মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধানের অনিবার্য দায়িত্ব। আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তারা এমন যে, আমি যদি দুনিয়ায় তাদের ক্ষমতা দান করি, তবে তারা নামাজ কায়েম করবে, জাকাত আদায় করবে, মানুষকে সৎকাজের আদেশ করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে। সব কাজের পরিণতি আল্লাহরই হাতে।’ (সুরা হজ : ৪১)

সরকারিভাবে এমন একটি বিশ্বস্ত সংস্থা থাকতে পারে, যার প্রতি গণমানুষের আস্থা থাকবে। দেশের পরীক্ষিত আমানতদার ও যোগ্য আলেমদের তত্ত্বাবধানে স্বতন্ত্রভাবে তা পরিচালিত হবে। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পুরো জাকাত ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটালাইজ করতে হবে অ্যাপ বা অনলাইন ব্যবস্থাপনার মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এভাবে অনিয়মের সব পথ বন্ধ করে প্রতিবছর জাকাত সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করতে হবে। তারপর প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কর্মসূচি কঠোরভাবে মূল্যায়ন ও মনিটরিং করে বছর শেষে গণমানুষের কাছে তা স্পষ্ট প্রতিবেদন আকারে তুলে ধরলে মানুষ সরকারি তহবিলে জাকাত দিতে উদ্বুদ্ধ হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত জাকাত তহবিলে যে অর্থ দেওয়া হয়, তার ওপর কর রেয়াত পাওয়ার ব্যবস্থা ইতোমধ্যেই রয়েছে। সেটাকে আরো হালনাগাদ করা যায়।

জাকাত বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও ইসলামি অর্থনীতিবিদ বিজ্ঞ আলেমদের পরামর্শে ‘জাকাত তহবিল ব্যবস্থাপনা আইন ২০২৩’ আরো সময়োপযোগী করে জাকাতভিত্তিক দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচির সঙ্গে সরকারি কর্মসূচির একটি সফল সংযোগ করে বছরে কতজনকে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দেওয়া গেল, বছর শেষে তার তথ্য তুলে ধরা হলে বাড়বে জাকাতদাতার পরিমাণ। ‘সিআইপি’দের মতো যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোটা অঙ্কের জাকাত দেবে, তাদের পুরস্কৃত করলেও কাজে আসতে পারে। জাকাতের অর্থে কর্মসংস্থান তৈরি করা যাবে, আবার জাকাত সংগ্রহ, বিতরণ ও মনিটরিংয়েও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মতো জাকাত বোর্ডেও হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। জাকাত সংগ্রহ ও বিতরণের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী-কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতাও জাকাতের অর্থ থেকে দেওয়ার ব্যবস্থাও পবিত্র কোরআনে আল্লাহ রেখেছেন। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয় জাকাত হচ্ছে ফকির-মিসকিনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য...।’ (সুরা তাওবা : ৬০)। এ রকম প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনা হলে আশা করা যায় পাঁচ বছরেই দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব।

লেবাননে হাসপাতালে ইসরাইলি হামলা, চিকিৎসাকর্মীসহ নিহত ১২

 

লেবাননে হাসপাতালে ইসরাইলি হামলা, চিকিৎসাকর্মীসহ নিহত ১২

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইসরাইলের বিমান হামলায় চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিকসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলমান উত্তেজনা শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ৭৭৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১০৩ জন শিশু রয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন ১,৯০০–এর বেশি মানুষ।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলাটি লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে অবস্থিত বুর্জ কালাওইয়াহ হেলথ কেয়ার সেন্টারে আঘাত হানে। ওই হামলায় নিহত ১২ জনের মধ্যে চিকিৎসক, নার্স এবং জরুরি সেবাকর্মী (প্যারামেডিক) ছিলেন।

তবে এই সংখ্যা প্রাথমিক বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো নিখোঁজ কয়েকজনকে খোঁজার কাজ চলছে।

একজন কর্মকর্তা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে পৃথক পৃথক বিমান হামলাগুলো অত্যন্ত প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ লেবাননের পাশাপাশি রাজধানী বৈরুতেও ধারাবাহিকভাবে বিমান হামলার ঘটনা ঘটছে।

সৌদির বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা, মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

 

সৌদির বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলা, মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানকালে মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং (জ্বালানি সরবরাহকারী) বিমান ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে শুক্রবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সৌদি আরবের ওই ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় বিমানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিমানগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে মেরামতের কাজ চলছে। এই হামলায় কোনো প্রাণহানি হয়নি।

জাকাত আদায় করা যায় যে ৮ খাতে

  ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম হলো জাকাত। এটি শুধু একটি আর্থিক ইবাদত নয়, বরং সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য, ন্যায়বিচার এবং মানবিক সহমর্মি...