Thursday, 16 July 2026

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চীন


বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চীন
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বিশ্বের একটি বড় অংশের মানুষের কাছে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীন বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটন-ভিত্তিক খ্যাতনামা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’-এর সাম্প্রতিক এক বিশ্বজনমত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। ২০০২ সালে বৈশ্বিক মনোভাব নিয়ে ট্র্যাকিং শুরু করার পর এই প্রথমবার প্রতিষ্ঠানটি এমন ফলাফল রেকর্ড করল।

৩৬টি দেশের ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষের ওপর চালানো এই জরিপে দেখা গেছে, ২৫টি দেশের মানুষই যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি বেশি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। বিপরীতে, বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি আগের চেয়ে অনেকটাই ক্ষুণ্ন হয়েছে।

জরিপের মূল বিষয়সমূহ ও ভৌগোলিক সমীকরণ

চীনের পক্ষে হাওয়া: স্পেন, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, গ্রিস এবং কানাডার মতো দেশগুলোতে জনমত ব্যাপকভাবে চীনের দিকে ঝুঁকেছে। এছাড়া ইতালি, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া ও তুরস্কে চীনের জনপ্রিয়তা রেকর্ড ছুঁয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থক: জরিপ করা ৩৬টি দেশের মধ্যে মাত্র ৬টি দেশে এখনও যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয়তা বেশি। এর মধ্যে রয়েছে আমেরিকার কট্টর মিত্র হিসেবে পরিচিত পোল্যান্ড, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, জাপান এবং ইসরাইল।

আয় ও আঞ্চলিক বৈচিত্র্য: সাধারণত মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে চীনের জনপ্রিয়তা বেশি দেখা গেছে, আর ধনী দেশগুলোতে নেতিবাচক। তবে ব্যতিক্রম সিঙ্গাপুর—উচ্চ মাথাপিছু আয় সত্ত্বেও দেশটির মানুষ চীনের প্রতি ইতিবাচক। এশিয়ায় চীনের প্রতি সবচেয়ে বেশি ইতিবাচক পাকিস্তান (৯০%) এবং সবচেয়ে নেতিবাচক জাপান (১১%)।

শি জিনপিং বনাম ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিশ্ব রাজনীতি পরিচালনায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—কার ওপর মানুষের আস্থা বেশি? জরিপে দেখা গেছে, সামগ্রিকভাবে বিশ্ববাসীর আস্থা দুজনের প্রতিই বেশ কম (৫০%-এর নিচে)। তবে ট্রাম্পের তুলনায় শি জিনপিং কিছুটা এগিয়ে আছেন।

গবেষকরা জানান, বিশ্বজুড়ে শি জিনপিংকে নিয়ে মানুষ খুব চরমপন্থী মতামত না দিলেও, ট্রাম্পের ক্ষেত্রে মানুষ তীব্র ইতিবাচক বা তীব্র নেতিবাচক (চরম) প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। ট্রাম্পের প্রতি সর্বোচ্চ ৬৮% আস্থা দেখিয়েছে ফিলিপাইন, আর সর্বনিম্ন ৪% এসেছে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম থেকে।

জনপ্রিয়তার হেরফেরের কারণ কী?

গবেষকদের মতে, দেশ দুটির পররাষ্ট্রনীতি এই জনপ্রিয়তার পার্থক্যের পেছনে মূল ভূমিকা পালন করেছে।

হস্তক্ষেপের নীতি: জরিপে অংশ নেওয়া ৭৫% মানুষের ধারণা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করে। চীনের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ৪৫%।

যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অস্থিরতা: জরিপ চলার সময়েই গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর বক্তব্য, ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার মার্কিন প্রচেষ্টা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার মতো ঘটনাগুলো বিশ্ববাসীকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চীনের শাসনব্যবস্থা একনায়কতান্ত্রিক এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং একজন কর্তৃত্ববাদী নেতা হওয়া সত্ত্বেও, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে চীনের নীতিকে অনেক দেশ বেশি ‘পূর্বানুমানযোগ্য’ বা স্থিতিশীল মনে করছে। পাশাপাশি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে নিজেদের ভাবমূর্তি বাড়াতে বেইজিংয়ের ধারাবাহিক কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রচেষ্টাও এই জনপ্রিয়তার অন্যতম কারণ।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ

বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের আহ্বান হামাসের


বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের আহ্বান হামাসের
ছবি: সংগৃহীত।

দখলদার ইসরাইলের নতুন বসতি সম্প্রসারণ পরিকল্পনার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে হামাস। খবর আলজাজিরা।

হামাসের কর্মকর্তা আবদুল রহমান শাদিদ এক বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি রোধে, বসতি সম্প্রসারণের লক্ষ্যবস্তু করা এলাকাগুলোতে নিজেদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য অধিকৃত পশ্চিম তীরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা ফিলিস্তিনি জনগণের মনোবল ভাঙতে বা তাদের নিজ ভূমি থেকে উৎখাত করতে পারবে না।

শাদিদের ভাষ্য, ইসরাইলি দখলনীতি ও বসতি সম্প্রসারণ মোকাবিলায় প্রতিরোধ এবং নিজ ভূমিতে অটল থাকা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য ও গণ-সংগঠনের প্রয়োজন রয়েছে।

ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বাস করে।ফিলিস্তিনির পাশাপাশি ৫ লাখের বেশি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী বসবাস করছেন।

এদিকে ইসরাইলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ মঙ্গলবার জানিয়েছেন, দেশটির নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৩৪টি নতুন বসতি স্থাপনের জন্য ১৩০ কোটি শেকেল (প্রায় ৪৩৪ মিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ অনুমোদন করেছে।

ভারতে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক

 

ভারতে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত দমদম বিমানবন্দরের ভেতরে ১৩৬ বছর পুরোনো গৌরীপুর জামে মসজিদে নামাজ নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার এ প্রতিবাদের ডাক দেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক গ্রন্থাগার বিষয়ক মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

বিমানবন্দরের ভেতরে অবস্থিত এই মসজিদ গত শনিবার থেকে বন্ধ রয়েছে। দ্বিতীয় রানওয়ের সম্প্রসারণ এবং বিমান বন্দরের সুরক্ষার কারণে মসজিদ সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।




এই বিষয়ে সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার মসজিদ কমিটি একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে। সেখানে তিনি বলেন, ১৩৬ বছরের পুরানো মসজিদে অন্যায় ও অবৈধভাবে নামাজ বন্ধের বিরুদ্ধে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করব।

পাশাপাশি, তিনি জানিয়েছেন, ওই মসজিদে যারা এতদিন ধরে নামাজ পড়ে এসেছেন তারা আগামীকাল সেখানে উপস্থিত হবেন নামাজ পড়ার জন্য। আমি অনুরোধ করব আমাদের যেন নামাজ আদায় করতে দেওয়া হয়। যদি ঢুকতে না দেয় তাহলে ধস্তাধস্তি করব না। আমরা শান্তিপ্রিয়।

সরকারকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সুরাহা খোঁজার কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, অবিলম্বে যেন তাদের মসজিদে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

বিমানবন্দরের জন্য জমি অধিগ্রহণের সময় এই মসজিদ গিয়ে পড়ে এয়ারপোর্টের অংশে। এই প্রথম নয়, বাম আমলে এবং পরে তৃণমূল সরকারের সময়েও অসামরিক বিমানচলাচল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মসজিদ অন্যত্র সরানোর বিষয়ে জানানো হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার আসার পর এই বিষয়ে নজর দেয়।

এয়ারপোর্ট অথরিটি অব ইন্ডিয়া ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে এই নিয়ে গত মে মাসে বৈঠক হয়। সেই সময়ে মসজিদ কমিটিকেও জানানো হয়েছিল বলে প্রশাসনের তরফে দাবি করা হয়েছে। তবে মসজিদ কমিটির অভিযোগ তাদের এই বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি।

কলকাতা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের একটি দরজা দিয়ে প্রবেশ করার পর, পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখে এয়ারপোর্টের শাটল বাস সার্ভিসের চাপিয়ে নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে নিয়ে যাওয়া হতো। সিআইএসএফ-এর জওয়ানরা এর দায়িত্বে থাকতেন।

মসজিদ কমিটির দাবি, শনিবার প্রাথমিকভাবে তাদের জানানো হয়েছিল রক্ষণাবেক্ষণের কাজ ও আবহাওয়ার কারণে শনিবার ভোরে মসজিদ বন্ধ রাখা হয়েছে। পরে নামাজ আদায় করতে জড়ো হওয়া স্থানীয় বাসিন্দাদের আবারো জানানো হয় কর্তৃপক্ষের তরফে মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে। এরপর বিতর্ক শুরু হয়।

সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী অভিযোগ করেন, বুধবার রাতে সংশ্লিষ্ট থানায় গেলেও তাদের অভিযোগ নেওয়া হয়নি। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সহযোগিতা মেলেনি।

Wednesday, 15 July 2026

যে অভ্যাসগুলো প্রকৃত জ্ঞানী মানুষে পরিণত করে

 

যে অভ্যাসগুলো প্রকৃত জ্ঞানী মানুষে পরিণত করে

প্রকৃত বুদ্ধিমত্তা মানুষের কথায় নয়, তার চরিত্র, ধৈর্য, আত্মসংযম, কৃতজ্ঞতা, উত্তম সঙ্গ, গোপনীয়তা রক্ষা এবং আল্লাহর প্রতি দৃঢ় আস্থার মধ্যেই প্রকাশ পায়। একজন মানুষের চিন্তা, চরিত্র, ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও উত্তম আচরণেই প্রকৃত প্রজ্ঞার প্রকাশ ঘটে। একজন সত্যিকারের জ্ঞানী ব্যক্তি নিজের জীবনকে এমন কিছু সুন্দর অভ্যাসের মাধ্যমে গড়ে তোলেন, যা তাকে দুনিয়ায় সম্মানিত এবং আখিরাতে সফল হওয়ার পথ দেখায়।

কম কথা বলুন, বেশি কাজ করুন





জ্ঞানী মানুষের পরিচয় তার কথায় নয়, বরং তার চরিত্র ও কর্মে ফুটে ওঠে। অপ্রয়োজনীয় কথা কম বলুন, প্রয়োজনীয় কাজে মনোযোগ দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ

‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে, সে যেন উত্তম কথা বলে, নতুবা নীরব থাকে।’ (বুখারি ৬০১৮, মুসলিম ৪৭)

যে কোনো পরিস্থিতিতে ধৈর্য ও শান্ত থাকুন

রাগ বা উত্তেজনা নয়, ধৈর্য ও আত্মসংযমই একজন শক্তিশালী মানুষের প্রকৃত পরিচয়। আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّابِرِينَ

‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা আল-বাকারা: আয়াত ১৫৩)

আত্মসমালোচনা ও চিন্তার অভ্যাস গড়ে তুলুন

কখনো কখনো নির্জনতা মানুষকে নিজের ভুল-ত্রুটি বুঝতে, আল্লাহকে স্মরণ করতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ فِي خَلْقِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ... لَآيَاتٍ لِّأُولِي الْأَلْبَابِ

‘নিশ্চয়ই আসমান ও জমিনের সৃষ্টিতে জ্ঞানীদের জন্য বহু নিদর্শন রয়েছে।’ (সুরা আল-ইমরান: আয়াত ১৯০)

তর্কে নয়, উত্তম কাজের মাধ্যমে নিজের পরিচয় দিন

অকারণ বিতর্ক মানুষকে বিভক্ত করে, কিন্তু উত্তম চরিত্র ও সৎকর্ম মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

أَنَا زَعِيمٌ بِبَيْتٍ فِي رَبَضِ الْجَنَّةِ لِمَنْ تَرَكَ الْمِرَاءَ وَإِنْ كَانَ مُحِقًّا

‘যে ব্যক্তি সত্যের ওপর থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয় তর্ক-বিতর্ক পরিত্যাগ করে, আমি তার জন্য জান্নাতের প্রান্তে একটি ঘরের জামিন।’ (আবু দাউদ ৪৮০০)

সৎ ও প্রজ্ঞাবান মানুষের সঙ্গ বেছে নিন

মানুষ তার সঙ্গীর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই উত্তম চরিত্রের মানুষের সান্নিধ্য গ্রহণ করুন এবং ক্ষতিকর সঙ্গ থেকে দূরে থাকুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

الْمَرْءُ عَلَى دِينِ خَلِيلِهِ

‘মানুষ তার বন্ধুর আদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকে।’ (আবু দাউদ ৪৮৩৩, তিরমিজি ২৩৭৮)

অভিযোগ নয়, কৃতজ্ঞতার অভ্যাস গড়ে তুলুন

যে ব্যক্তি আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে, আল্লাহ তার জন্য আরও কল্যাণ বৃদ্ধি করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন—

لَئِنْ شَكَرْتُمْ لَأَزِيدَنَّكُمْ

‘যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের আরও বৃদ্ধি করে দেব।’ (সুরা ইবরাহিম: আয়াত ৭)

আরও পড়ুন

পরিবারের গোপন বিষয় সংরক্ষণ করুন

পরিবারের সম্মান ও পারস্পরিক বিশ্বাস রক্ষার জন্য ব্যক্তিগত বিষয় অযথা প্রকাশ করা উচিত নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—

إِنَّ مِنْ أَشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللَّهِ مَنْزِلَةً... يُفْضِي إِلَى امْرَأَتِهِ وَتُفْضِي إِلَيْهِ ثُمَّ يَنْشُرُ سِرَّهَا

‘কিয়ামতের দিন আল্লাহর কাছে সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষের একজন হলো সে, যে তার স্ত্রীর গোপন বিষয় মানুষের কাছে প্রকাশ করে।’ (মুসলিম ১৪৩৭)

বিপদে আল্লাহর ওপর ভরসা রাখুন

জীবনে পরীক্ষা আসবেই। ধৈর্য, হাসিমুখ ও আল্লাহর প্রতি ভরসাই একজন মুমিনের শক্তি। আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَمَنْ يَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ فَهُوَ حَسْبُهُ

‘যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।’ (সুরা আত-তালাক: আয়াত ৩)

আমরা যদি এই গুণগুলোকে জীবনের অংশ করে নিতে পারি, তবে ইনশাআল্লাহ দুনিয়ায় সম্মানিত জীবন এবং আখিরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের পথ সুগম হবে।

ট্রাম্পের দৃষ্টি কেন ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে

 

ট্রাম্পের দৃষ্টি কেন ইরানের পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনে
ছবি: আল-জাজিরা

ইরানের সন্দেহভাজন একটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামের ওই স্থাপনা লক্ষ্য করে তিনি বলেছেন, ‘ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে বলো।’





জাইদ সাবাহর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

ট্রাম্পের হুমকি দেওয়া পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন কী

পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন, যা স্থানীয়ভাবে ‘কুহ-ই কোলং গাজ লা’ নামে পরিচিত। এটি ইরানের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত। এই পাহাড়ে মাটির গভীরে দুটি টানেল বা সুড়ঙ্গ কমপ্লেক্স রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই সুড়ঙ্গগুলো মাটির এত গভীরে তৈরি করা হয়েছে যে আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী ‘বাঙ্কার-বাস্টার’ বা মাটি ভেদ করা বোমা দিয়েও সেখানে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

দ্য ওয়াশিংটন পোস্টসহ মার্কিন গণমাধ্যমে বিশ্লেষকদের বরাতে বলা হয়েছে, এই স্থাপনা তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অংশ হতে পারে।

এর আগে ‘হিউ হিউইট শো’তে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এই স্থাপনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সেখানে কোনো তৎপরতা দেখছি না। তাদের পারমাণবিক পরিস্থিতির অবস্থা ভালো নয়। আমরা যখনই এর (পারমাণবিক কার্যক্রম) কথা শুনি, তখনই তা উড়িয়ে দিই। তাই তারা এটি নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে না। তবে আমরা খুব শিগগিরই পিকঅ্যাক্সে একটি আঘাত হানব।’

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চীন

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের একটি বড় অংশের মানুষের কাছে এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে...