Monday, 23 March 2026

দক্ষিণ কোরিয়ায় কারখানায় আগুন, নিহত ১৪

 

দক্ষিণ কোরিয়ায় কারখানায় আগুন, নিহত ১৪

দক্ষিণ কোরিয়ার দেজন শহরে গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির একটি কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এ আগুনে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৫৯ জন। আহতের মধ্যে ২৫ জনের অবস্থা গুরুতর। শুক্রবার এবিসি নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে, আগুন লাগার পর সেখানে পাঁচ শতাধিক দমকলকর্মী, পুলিশ ও জরুরি কর্মী কাজ শুরু করেন। কারখানা কমপ্লেক্স থেকে ঘন ধূসর ধোঁয়া উঠছে এবং একটি ভবন থেকে কিছু শ্রমিক লাফ দিচ্ছেন।

দায়েদক জেলা ফায়ার সার্ভিসের প্রধান ন্যাম দেউক-উ বলেন, আগুনে একটি কারখানা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ভবনটি ধসে পড়ার আশঙ্কায় শুরুতে দমকলকর্মীরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি।

ইসরাইলজুড়ে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরাইলজুড়ে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরাইলজুড়ে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরাইলজুড়ে বিভিন্ন এলাকায় ইরানের তীব্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর পাওয়া গেছে। জেরুজালেম ও মধ্য ইসরাইলসহ দক্ষিণ ইসরাইলে একাধিক সতর্কসংকেত জারি করা হয়েছে। এসব এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত হানার খবরে কর্তৃপক্ষ সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে বিস্ফোরণের খবর। ধারণা করা হচ্ছে, হামলায় ‘ক্লাস্টার’ বা গুচ্ছবোমা ব্যবহার করেছে ইরান। এগুলো থেকে ছোট ছোট বহু বোমা ছড়িয়ে পড়ে। ইসরাইলের অন্তত আটটি স্থানে এই ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ বা বিস্ফোরক পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব ক্ষয়ক্ষতির ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এর আগে উত্তর ইসরাইলের অনেক এলাকায় সতর্ক সাইরেন বাজানো হলেও পরে তা তুলে নেওয়া হয়। সেখানকার মানুষকে শেল্টার থেকে বেরিয়ে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার থেকে ইসরাইলে এই হামলার ধারা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে উত্তর ইসরাইলে প্রায়ই সতর্কসংকেত বাজানো হচ্ছে। কারণ এলাকাটি এখন কেবল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলারই নয় বরং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহরও নিয়মিত লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।

Sunday, 22 March 2026

ইসরাইলের পারমাণবিক শহরে ইরানের হামলা, আহত ৩৯


ইসরাইলের পারমাণবিক শহরে ইরানের হামলা, আহত ৩৯
ছবি: সংগৃহীত।

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধে ২২তম দিনে পরিস্থিতি আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে। এই দিনে ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহর দিমোনায় একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয় গেছে। খবর আলজাজিরার

শহরটিতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অত্যন্ত সুরক্ষিত এই শহরটিতেই ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনা অবস্থিত।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় একাধিক স্থানে আঘাত হানে ক্ষেপণাস্ত্র। এর মধ্যে একটি তিনতলা ভবন সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়েছে।

এই হামলায় অন্তত ৩৯ জন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইরানি গণমাধ্যম দাবি করেছে, ইসরাইলের নাতানজ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ স্থাপনায় হামলার জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে। তবে ঘটনাটির বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত দিমোনা ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং এটি দেশটির অঘোষিত পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রে রয়েছে। এই সংবেদনশীল এলাকায় হামলার ঘটনাকে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হামলায় ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রটি ভিন্ন ধরনের ছিল বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, যা আগে দেখা যায়নি। ক্ষেপণাস্ত্রটি একটি বহুতল ভবনে আঘাত হানলে সেটি সম্পূর্ণভাবে ধসে পড়ে। তবে ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় ইসরাইলের কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।

ঈদ আনন্দ ও ইসলামের জীবনবোধ


ঈদ আনন্দ ও ইসলামের জীবনবোধ

প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠীর বার্ষিক উৎসবকেই ঈদ বলে। যেমন রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ঈদের দিন বললেন, ‘প্রত্যেক সম্প্রদায়ের ঈদ রয়েছে, আর আজ আমাদের ঈদ’ (বুখারি : ৯৫২; মুসলিম : ৮৯২)। ঈদ আরবি শব্দ। ঈদ মানে ফিরে আসা। যে উৎসব প্রতি বছর ফিরে ফিরে আসে আরবি ভাষায় তাকে ঈদ বলে। ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। ইসলামের রয়েছে দুটি ঈদ : ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আজহা।

ইবনে রজব হাম্বলি (রহ.) বলেন, ‘ঈদুল ফিতরের দিন সমস্ত উম্মতের জন্য ঈদ ও আনন্দের দিন হওয়ার কারণ হলো, ওইদিন আল্লাহ রোজাদারদের জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। ফলে যারা গুনাহগার, তারাও নেককারদের দলে শামিল হয়ে যায়। আর ঈদুল আজহার দিন বড় ঈদ হওয়ার কারণ হচ্ছে, এর আগের দিন আরাফার দিন, যেদিন এত বিপুল পরিমাণ লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। সারা বছরের আর কোনো দিন এত লোককে মুক্তি দেওয়া হয় না।’ (লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ২৩৭-২৩৮)

ঈদুল ফিতরের আনন্দ মূলত সিয়াম পালনকারীর জন্য। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের দুটি খুশি : একটি ইফতারের সময়, আরেকটি তার রবের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।’ (বুখারি : ৭৪৯২, মুসলিম : ১১৫১)

ঈমান ও ইহতিসাবের সঙ্গে সিয়াম পালনকারীর প্রতিশ্রুত প্রতিদান প্রত্যাশার আনন্দ ঈদুল ফিতর– তার পূর্বাপর পাপরাশি ক্ষমা করা হয়েছে, সে রাজাধিরাজ রবের সাক্ষাতে তাঁর কাছ থেকে প্রতিদান গ্রহণ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের জন্য রয়েছে আলাদা তোরণ, ইত্যাদি আরো যেসব প্রতিদানের কথা হাদিস শরিফে ঘোষিত হয়েছে, এক মাস রোজা পালন করে সে এসব কিছু লাভের উপযুক্ত হলো– এই অনুভূতিই মূলত ঈদুল ফিতরের আনন্দের অনুঘটক। কিন্তু মুমিন রোজাদার শাওয়াল মাসের প্রথম দিন যখন এসব অনুভূতি নিয়ে আনন্দ উদযাপন করে তখন হাদিস শরিফে বর্ণিত অন্য একটি সাবধান বাণী তাকে সতর্ক ও শঙ্কিত করে। বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি রমজান পেয়েও তার গুনাহ মাফ করাতে পারল না সে ধ্বংস হোক।’ (মুস্তাদরাক হাকিম : ৭২৫৬)

রোজাদার একমাস ঈমান ও ইহতিসাবের সঙ্গে সিয়াম সাধনার তওফিক পেয়েছে। এখন তার মনে প্রতিশ্রুত প্রতিদান পাওয়ার প্রত্যাশা– যে রব যথাযথভাবে রমজান পালনের তওফিক দিয়েছেন প্রতিশ্রুত প্রতিদানও তিনি দেবেন! তবু আখিরাতে রবের কাছ থেকে প্রতিদান পাওয়ার আগ পর্যন্ত তার আশঙ্কা কাটে না– তার সাধনা প্রতিদানের উপযুক্ত হয়েছে তো! রব্বে কারিম তার ইবাদত কবুল করেছেন কি? রোজাদার তাই ঈদ আনন্দে বল্গাহারা হয়ে যেতে পারে না।

এখন আমাদের সমাজে ঈদ উপলক্ষে বল্গাহীন আনন্দে বিজাতীয় অপসংস্কৃতির যে সয়লাব বয়ে যায়, এর মোকাবিলার জন্যই মূলত ঈদ উৎসব। মদিনাবাসীর দুটি আবহমানকালের দেশজ বার্ষিক উৎসব ছিল। রাসুলুল্লাহ (সা.) হিজরতের পর একবার তাদেরকে এ দুটি দিবস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তারা বলল, এদিনে আমরা জাহিলিয়াতের সময় থেকে খেলাধুলা, আনন্দ-উৎসব করি। নবীজি (সা.) বললেন, ‘আল্লাহ তোমাদের এ দুটির পরিবর্তে এর চেয়ে উত্তম দুটি দিন দান করেছেন : আজহার দিন ও ফিতরের দিন।’ (আবু দাউদ : ১১৩৪; নাসায়ি : ১৫৫৬)

আখিরাতের অনন্ত জীবনে বিশ্বাসী মুমিনের আর শুধু দুনিয়ার জীবন নিয়ে মজে থাকা অবিশ্বাসীর জীবনাচার, জীবনে আনন্দের উপলক্ষ ও তা প্রকাশের ভাষা এবং পদ্ধতি এক হবে না। মুমিনের প্রকৃত আনন্দের দিন হাশরে আপন রবের কাছ থেকে ডান হাতে আমলনামা প্রাপ্তির দিন, যেদিন সে নিজেকে চিরসফলদের অন্তর্ভুক্ত বলে জেনে নিশ্চিত হবে। তাই আমাদের ঈদ আনন্দ হোক বিশ্বাসী মুমিনের ঈদ আনন্দ, যে আনন্দে খুশি আর সংযম একীভূত থাকে, যে আনন্দে জাতিগত স্বাতন্ত্র্য পরিস্ফুট থাকে।

ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ: ইরানের স্পিকার

ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ: ইরানের স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত।

ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর দিমোনায় সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ। খবর আলজাজিারার

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘অত্যন্ত সুরক্ষিত দিমোনা এলাকায় যদি ইসরাইল ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়, তবে তা যুদ্ধের নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশের ইঙ্গিত দেয়।’

তিনি আরো দাবি করেন, ‘ইসরাইলের আকাশ এখন প্রতিরক্ষাহীন।”

নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত দিমোনা ইসরাইলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এবং এটি দেশটির অঘোষিত পারমাণবিক কর্মসূচির কেন্দ্রে রয়েছে। তবে এই
সংবেদনশীল শহরটিতে ২৪ ঘণ্টার পাঁচবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করেছে ইরান।

Friday, 20 March 2026

নতুন চাঁদ দেখলে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন

 

নতুন চাঁদ দেখলে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন
নতুন চাঁদ

ইসলামী বর্ষপঞ্জি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল। হিজরি বর্ষে মাসের সূচনা, সমাপ্তিসহ রোজার মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ইবাদত চাঁদ দেখার সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাঁদ দেখে কল্যাণের প্রার্থনা করে দোয়া করতেন।

দোয়াটি হলো-

اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ

উচ্চারণ

আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ

হে আল্লাহ! তুমি ওই চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করো নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে। (হে চাঁদ) আমার ও তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।

হাদিস

তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন তখন এই দোয়া পড়তেন।

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ ঈদ

 

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ ঈদ

সৌদি আরবে বৃহস্পতিবার ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে আজ শুক্রবার দেশটিসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

এক মাস রোজা রাখার পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিন মুসলমানরা ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন। এটি মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রোজা শুরু এবং ঈদের এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

সৌদি আরবের রাজকীয় আদালত (রয়্যাল কোর্ট) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে, শুক্রবার (২০ মার্চ) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরির পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে শুক্রবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে এবং শনিবার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কারখানায় আগুন, নিহত ১৪

  দক্ষিণ কোরিয়ার দেজন শহরে গাড়ির যন্ত্রাংশ তৈরির একটি কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এ আগুনে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৫৯ জন।...