Thursday, 23 April 2026

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার পর যখন কাবা চোখে পড়বে, তখন এ দোয়াটি পড়ুন:

اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شرَفِهِ وعِظَمِهِ مِمَنْ حجَّهُ أو اعتَمرَهُ تشريفًا وتكريمًا وتعظيمًا ومهابَةً وبِرًا


উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা যিদ হাযাল বাইতা তাশরীফান ওয়া তা'যীমান ওয়া তাকরীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া যিদ মিন শারাফিহি ওয়া ই'যামিহি মিম্মান হাজ্জাহূ আও ই'তামারাহূ তাশরীফান ওয়া তাকরীমান ওয়া তা'যীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া বিররান।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এই পবিত্র ঘরকে আরও বেশি সম্মান, মর্যাদা, মহিমা ও ভয়-ভক্তিতে পূর্ণ করুন। আর যারা হজ বা উমরা করে তাদের মধ্য থেকেও এই ঘরের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করুন — তাদেরকে সম্মান, মর্যাদা, মহিমা, ভয়-ভক্তি ও পূণ্য দ্বারা অধিকতর সম্মানিত করুন।

তাবেঈ মাকহুল (রহ.) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) কাবা দেখে এ দোয়াটি পড়তেন। (ইবনে হাজার, তালখিসুল হাবীর)

কাবা তাওয়াফের সময় যে দোয়া পড়বেন

কাবা তাওয়াফের সময় যে কোনো দোয়া পড়া যায়। তাওয়াফের এমন কোনো নির্দিষ্ট দোয়া নেই যা না পড়লে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। হাদিসে কয়েকটি দোয়া পাওয়া যায় যা রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় পড়েছেন।

তাওয়াফ শুরুর সময় ও প্রতি চক্করের শুরুতে হাজরে আসওয়াদের সামনে তাকবির (অর্থাৎ আল্লাহু আকবার) বলা সুন্নত। সহিহ বুখারিতে এসেছে—নবিজি (সা.) কাবা ঘরের চারপাশে উটের পিঠে তাওয়াফ করেছিলেন এবং যখনই তিনি হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছতেন, তখন তার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে সেদিকে ইশারা করতেন এবং ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (সহিহ বুখারি)

রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদের দিকে যাওয়ার সময় আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনে উল্লেখিত এ দোয়াটি পড়েছেন বলে বর্ণিত রয়েছে,

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: ‍রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল-আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আযাবান-নার

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা: ২০১) (সুনানে আবু দাউদ)

এ ছাড়া তাওয়াফের সময় যে কোনো জিকির, কোরআন-হাদিসে বর্ণিত বা উত্তম অর্থবোধক দোয়া পাঠ করা করা যেতে পারে। 

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, তবু কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, তবু কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ২২ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার একদিন পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শfহবাজ শরিফ বুধবার ইসলামাবাদে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

পাকিস্তান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে ‘বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রচেষ্টা’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ান, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। আলোচনার জন্য আরো সময় দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, ইসলামাবাদে আয়োজনের কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি। আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আসার কথা থাকলেও তিনি সফরে যাননি বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, ইরানও কোনো প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালানোর পর সংঘাতের সূচনা হয়, যা দ্রুত লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নিজেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

আলোচনায় বাধা তিনটি, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট


আলোচনায় বাধা তিনটি, জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার পথে প্রধান তিনটি বাধার কথা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তার দেশ সংলাপ ও সমঝোতাকে স্বাগত জানায় এবং তা অব্যাহত রেখেছে।

মাসুদ পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অবরোধ এবং হুমকি প্রদানই প্রকৃত আলোচনার প্রধান বাধা।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে পেজেশকিয়ান লিখেছেন, ‘বিশ্ব তোমাদের অন্তহীন কপট কথাবার্তা এবং দাবি ও কাজের মধ্যকার বৈপরীত্য দেখতে পাচ্ছে।’

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ লিখেছেন, ‘নৌ-অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন না করলে এবং জায়নবাদীদের সব ফ্রন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব বন্ধ হলেই একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি অর্থবহ হয়।’

গালিবাফ লিখেছেন, ‘যুদ্ধবিরতির এমন চরম লঙ্ঘনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয়।’

ট্রাম্পের হাতেই থাকছে যুদ্ধকালীন ক্ষমতা

ট্রাম্পের হাতেই থাকছে যুদ্ধকালীন ক্ষমতা

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষমতা খর্ব করার লক্ষ্যে আনা একটি প্রস্তাব মার্কিন সিনেটে আবারও নাকচ হয়ে গেছে।

ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন ক্ষমতা সীমিত করার এই পঞ্চম প্রচেষ্টায় ৪৬ জন সিনেটর প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেও ৫১ জন এর বিপক্ষে অবস্থান নেন। ফলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় প্রস্তাবটি পাস হয়নি।

ভোটের আগে সিনেটের শীর্ষ ডেমোক্র্যাট চাক শুমার রিপাবলিকান সিনেটরদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি মন্তব্য করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যুদ্ধ শেষ করার ব্যাপারে কেবল ফাঁকা প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছেন।

শুমার বলেন, এই ভোটাভুটি ছিল সিনেটের ‘রিপাবলিকান পুতুলদের’ জন্য সেই যুদ্ধ বন্ধের পঞ্চম সুযোগ, যা তারা কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছেন।

Tuesday, 21 April 2026

জেরুজালেম থেকে মক্কা, কিবলা পরিবর্তন কেন গুরুত্বপূর্ণ

জেরুজালেম থেকে মক্কা, কিবলা পরিবর্তন কেন গুরুত্বপূর্ণ

মেরাজের কিছুদিন পর জেরুজালেম থেকে মক্কার দিকে কিবলা পরিবর্তন এই দুই ঘটনা নামাজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। হিজরতের প্রায় ষোলো মাস পর শাবান মাসের মাঝামাঝি সময়ে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ আসে, যা মুসলিম উম্মাহর জন্য মহান আল্লাহর এক বিশেষ দিক নির্দেশনা।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবনে নামাজ সংক্রান্ত দুটি ঘটনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাহলো মেরাজ এবং কিবলা পরিবর্তন। অধিকাংশ ইসলামী চিন্তাবিদ একমত যে, হিজরতের প্রায় এক বছর আগে রজব মাসের ২৭ তারিখ রাতে মেরাজের ঘটনা ঘটে। আর হিজরতের ১৬ মাস পর মদিনায় জামাতে নামাজ পড়ার সময় কিবলা পরিবর্তনের ওহি নাজিল হয়।

একজন মুসলিমের জন্য কিবলা ছাড়া নামাজ পড়া সম্ভব নয়। কিবলা মানে হলো দিকনির্দেশনা বা সঠিক অভিমুখ। প্রতিদিন পাঁচবার নামাজের সময় মুসলিমরা মক্কার পবিত্র কাবা শরীফের দিকে মুখ করে দাঁড়ান। এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রের সঙ্গে অদৃশ্য আধ্যাত্মিক সুতায় যুক্ত করেন নিজেদের। 

ঐক্যের প্রতীক

কিবলা এমন এক অনন্য ব্যবস্থা যা বিশ্বের প্রতিটি জাতি, বর্ণ এবং গোত্রকে প্রতিদিন পাঁচবার একই সারিতে নিয়ে আসে। এটি মুসলিম উম্মাহর হৃদপিণ্ড হিসেবে কাজ করে, যা বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের আধ্যাত্মিক অস্তিত্বকে সচল রাখে। এটি মূলত একত্ববাদেরই বহিঃপ্রকাশ—এক আল্লাহ, এক ধর্ম এবং এক উম্মাহ।

জেরুজালেম থেকে মক্কা

মেরাজের রাতে মহানবী (সা.) জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে সব নবীদের ইমামতি করেছিলেন। এই ঘটনাটি কাবার সঙ্গে আল-আকসার এবং পূর্ববর্তী সব নবীদের শিক্ষার সঙ্গে ইসলামের এক অপূর্ব মেলবন্ধন তৈরি করে। 

হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর বড় ছেলে হজরত ইসমাইল (আ.)-এর বংশধারায় মহানবী (সা.)-এর জন্ম। অন্যদিকে হজরত ইসহাক (আ.)-এর বংশধারার প্রতিনিধিত্ব করে জেরুজালেম।

প্রথমে জেরুজালেমের দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার নির্দেশ এবং পরবর্তী সময়ে মক্কার কাবার দিকে মুখ ফেরানোর আদেশ—এই দুইয়ের সমন্বয়ে ইসলাম পূর্ণতা পায়। এটি মূলত একটি পরীক্ষা ছিল যে, কে আল্লাহ ও তার রাসুলের নির্দেশ বিনাবাক্যে মেনে নেয়।

মধ্যপন্থি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ

কোরআনের বর্ণনা অনুযায়ী, কিবলা পরিবর্তনের মাধ্যমে মুসলিমদের একটি ভারসাম্যপূর্ণ বা মধ্যপন্থী জাতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর অর্থ হলো, মহানবী (সা.) শুধু কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা জাতির নবী নন, বরং তিনি সমগ্র মানবতার দূত। মক্কাকে কেন্দ্র করে এই উম্মাহ এখন থেকে বিশ্ববাসীকে আল্লাহর পথে ডাকার দায়িত্ব পালন করবে।

মূলত কিবলা পরিবর্তনের মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা আদি ধর্মকে চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিবলা পরিবর্তন শুধু একটি দিকের পরিবর্তন ছিল না, বরং এটি ছিল ইসলামের পূর্ণতা এবং মক্কার পবিত্র কাবাকে বিশ্ব ও ধর্মের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠার এক আসমানী ঘোষণা।

ইরানের প্রধান দুটি বিমানবন্দর চালু

 

ইরানের প্রধান দুটি বিমানবন্দর চালু
ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। ছবি: সংগৃহীত

যুদ্ধের কারণে কয়েক সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর পুনরায় খুলে দেওয়া হয়েছে ইরানের রাজধানী তেহরানের প্রধান দুটি বিমানবন্দর। বিমানবন্দর দুটি হলো তেহরানের ইমাম খোমেনি ও মেহরাবাদ বন্দর।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে স্থগিত করা হয়েছিল ইরানের আকাশপথ ও বিমান চলাচল।

ইরানি বার্তা সংস্থা ইসনা জানিয়েছে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শনিবার থেকে শিরাজ, কেরমান, রেশত, ইয়াজদ, উর্মিয়া, কেরমানশাহ, আবাদান, গোরগান, বিরজান্দ ও জাহেদান বিমানবন্দরও পুনরায় চালুর অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হলে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, চুক্তি না হলে যুদ্ধ শুরু বলে আমি মনে করছি। ওয়াশিংটন সময় বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই যুদ্ধবিরতি বহাল থাকবে।

মার্কিন অবরোধ ডিঙিয়ে হরমুজ পাড়ি দিচ্ছে ইরানের জাহাজ

মার্কিন অবরোধ ডিঙিয়ে হরমুজ পাড়ি দিচ্ছে ইরানের জাহাজ

মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে ইরানের পতাকাবাহী একটি মালবাহী জাহাজ। ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ‘শুজা ২’ নামের জাহাজটি হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাহাজটি ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে শহীদ রাজায়ী বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছে। বর্তমানে এটি ভারতের কান্ডলা বন্দরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

আলজাজিরা জানিয়েছে, তারা তাসনিম নিউজের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। তবে সমুদ্রযান চলাচল পর্যালোচনাকারী সংস্থা ‘মেরিন ট্রাফিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতেই অবস্থান করছে। মেরিন ট্রাফিকের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, শুজা ২-এর গন্তব্য ভারত। 

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার পর যখন কাবা চোখে পড়বে, তখন এ দোয়াটি পড়ুন: اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شر...