Friday, 8 May 2026

পিতলের পাতে খোদাই করা কোরআন এবার জনসম্মুখে

 

পিতলের পাতে খোদাই করা কোরআন এবার জনসম্মুখে

তামা ও পিতলের পাতে খোদাই করা বিরল ও প্রাচীন একটি কোরআন শরীফ মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে । আঠারো শতকের এই শিল্পকর্মটি দর্শক ও গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।

ধাতব পাতের ওপর অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে কোরআনের আয়াতগুলো খোদাই করা হয়েছে, যা তৎকালীন শিল্পীদের অসামান্য দক্ষতা ও ধৈর্যকে ফুটিয়ে তোলে। এই বিরল কোরআন দেখতে প্রতিদিন শত শত পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থী ভিড় করছেন।





জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রদর্শনী মূলত দর্শকদের কোরআন সংরক্ষণের ঐতিহাসিক পরিক্রমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার একটি প্রয়াস। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত কোরআনকে সুন্দর ও অবিকৃতভাবে ধরে রাখার জন্য মুসলিম উম্মাহ যে কতটা সচেষ্ট ছিল, তারই প্রতিফলন এই জাদুঘর।

এখানে চামড়া ও প্রাচীন কাগজের পাণ্ডুলিপির পাশাপাশি ধাতব পাতে খোদাই করা এই শিল্পকর্মটি ইসলামী লিপিশিল্প বা ক্যালিগ্রাফির এক অনন্য ধারাবাহিকতা তুলে ধরছে।

শিল্পবোদ্ধাদের মতে, এই নিদর্শনটি প্রমাণ করে যে মুসলিম বিশ্বে পবিত্র কোরআন সংরক্ষণে শুধু কাগজের ওপর নির্ভর করা হয়নি, বরং স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্যের জন্য সোনা, রুপা ও তামার মতো মূল্যবান ধাতুরও ব্যবহার হয়েছে। এটি একইসঙ্গে নান্দনিক সৃজনশীলতা ও অগাধ ভক্তির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।

পবিত্র কোরআন জাদুঘরটি মক্কার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রাচীন এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইসলামের সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছেন।

ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি

 

ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি
ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।



অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

ইরানে আবারো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির

 

ইরানে আবারো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির
ফাইল ছবি

চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে।





রয়টার্স ও আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলেও বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। মিনাব শহরের গভর্নর একটি সামুদ্রিক ঘাঁটিতে হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া বন্দর আব্বাস শহরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

দেশটির যৌথ সামরিক সদর দপ্তর বন্দর খামির এবং সিরিক শহরে হামলার কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলায় ইরানের দুটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি তেলের ট্যাঙ্কার। এই ঘটনা ইতোমধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

এর জবাবে ইরানের বিশেষায়িত বাহিনী আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরানি সূত্রগুলো বর্তমানে পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’ বলে দাবি করলেও এই উত্তেজনা কতক্ষণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো সফলভাবে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, সংঘর্ষে মার্কিন জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পারস্য উপসাগরে দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

ভারতকে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী বলল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

 

ভারতকে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী বলল পাকিস্তান সেনাবাহিনী
পাকিস্তান আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিরুদ্ধে আবারো কঠোর ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে বলেছেন, আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্রমেই কমছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) ‘মারকা-ই-হক’ নামে পাকিস্তানের ভাষ্য অনুযায়ী গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সামরিক সংঘাতের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে পাকিস্তান নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।





পাকিস্তানের মতে, গত বছরের ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলার পর শুরু হওয়া সামরিক উত্তেজনা, ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ এবং ১০ মে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শেষ হওয়া সংঘাত ছিল ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’। এ উপলক্ষে বক্তব্য দিতে গিয়ে আহমেদ শরিফ বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী দেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে এবং বহুমাত্রিক সামরিক কৌশলের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে মোকাবিলা করেছে।

তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য অতীত সংঘাতের বিবরণ নয়; বরং ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময়ের কৌশলগত প্রভাব মূল্যায়ন করা। তার দাবি, এই সংঘাত পাকিস্তানের জন্য অন্তত ১০টি বড় কৌশলগত ফল বয়ে এনেছে।

প্রথমত, ভারতের সেই প্রচারণা পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের উৎস এখন আর গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি করেন তিনি। পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে ভারত যে অবস্থান নিয়েছিল, তার পক্ষে এখনো কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দেখানো হয়নি বলেও প্রশ্ন তোলেন আইএসপিআর প্রধান। তার ভাষায়, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভারত নিজের বিশ্বাসযোগ্যতাই ক্ষুণ্ন করেছে।

দ্বিতীয়ত, তিনি দাবি করেন, পাকিস্তান এখন আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার প্রধান শক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। একইসঙ্গে ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, দেশটির সামরিক বাহিনী ক্রমেই রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে পড়ছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

কাশ্মীর ইস্যুতেও পাকিস্তানের পুরোনো অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে আহমেদ শরিফ বলেন, কাশ্মীর কোনোভাবেই ভারতের একক অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়; এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারত সংখ্যালঘু ও কাশ্মীরিদের দমন করছে এবং নিজেদের অভ্যন্তরীণ সংকট আড়াল করতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তোলে।

সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় গণমাধ্যমেরও সমালোচনা করা হয়। পাকিস্তানের দাবি, তথাকথিত তথ্যযুদ্ধে ভারতের প্রচারণা ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বৃদ্ধি এবং আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানবিরোধী তৎপরতায় ভারতের সম্পৃক্ততার অভিযোগও পুনরায় তোলে আইএসপিআর।

এই বক্তব্য নতুন করে ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রাজনীতিতে পারস্পরিক অবিশ্বাসের গভীরতাকেই সামনে এনে দিল।

Thursday, 7 May 2026

হরমুজ সংকটে হ্যাপাগ-লয়েডের সপ্তাহে ক্ষতি ৬ কোটি ডলার

হরমুজ সংকটে  হ্যাপাগ-লয়েডের সপ্তাহে ক্ষতি ৬ কোটি ডলার

ছবি : রয়টার্স

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় জ্বালানি ও বিমা খরচ বাবদ প্রতি সপ্তাহে প্রায় ৬ কোটি মার্কিন ডলার লোকসান গুনছে জার্মান শিপিং জায়ান্ট হ্যাপাগ-লয়েড।

কৌশলগত এই পানিপথটি ব্যবহারের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি হওয়ায় কোম্পানিটি এই ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।





হামবুর্গ-ভিত্তিক এই শিপিং কোম্পানিটি জানায়, ইরানি ড্রোন ও ছোট নৌকার হামলার হুমকির কারণে বিমা খরচ আকাশচুম্বী হয়েছে।

কোম্পানির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরাপদ বন্দর বা স্থলপথে পরিবহনের বিকল্প ব্যবস্থাগুলো সীমিত এবং তা এই অঞ্চলের নিয়মিত সামুদ্রিক রুটের সম্পূর্ণ বিকল্প হতে পারে না।

ইরান দাবি করেছে , প্রতিটি জাহাজকে অবশ্যই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) অধীনে একটি যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে ইরানি উপকূলের কাছাকাছি দিয়ে যাতায়াত, ক্রু ও কার্গোর তথ্য প্রদান এবং কিছু ক্ষেত্রে অর্থ প্রদান।

তবে আইআরজিসি-কে অর্থ প্রদান করলে তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করে। এএফপি জানায়, শিপিং কোম্পানিগুলো এখন এক উভয় সংকটে পড়েছে, হয় তাদের অতিরিক্ত খরচের কারণে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার লোকসান দিতে হবে, অথবা নিরাপদ যাতায়াতের জন্য ইরানি কর্তৃপক্ষকে অর্থ দিয়ে নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে পড়তে হবে।

সূত্র: আলজাজিরা

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে বলে সমর্থকদের আশ্বস্ত করলেন ট্রাম্প

 

ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে বলে সমর্থকদের আশ্বস্ত করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। একই সঙ্গে তিনি হরমুজ প্রণালী অবরোধ এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে একটি সমঝোতার দিকেও এগোচ্ছেন।





বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, দলীয় সমর্থকদের সঙ্গে এক ফোনালাপে ট্রাম্প বলেন, “আপনারা যা ঘটতে দেখছেন, আমরা তা করছি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণে—আমরা ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দিতে পারি না।”

তিনি আরও বলেন, “আমার মনে হয় অধিকাংশ মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারছে। তারা বুঝতে পারছে আমরা যা করছি তা সঠিক, এবং এটি খুব দ্রুত শেষ হবে।”

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন ঠেকানোই এই সংঘাতের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য।

শীর্ষ ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’ নবী হোসেনের ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যা

 

শীর্ষ ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’ নবী হোসেনের ছোট ভাইকে গুলি করে হত্যা

কক্সবাজারের আলোচিত উপজেলা উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শীর্ষ ‘রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী’ নবী হোসেনের ছোট ভাই মোহাম্মদ কামালকে (৩৫) গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।





বুধবার (০৬ মে) বেলা আড়াইটার দিকে উখিয়ার বালুখালী এলাকার ৮ নম্বর ক্যাম্পের ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালের কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ কামাল ওই ক্যাম্পের মুসা আহমদের ছেলে। তিনি রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী নবী হোসেনের ছোট ভাই।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অধিনায়ক রিয়াজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি জানান, অজ্ঞাতনামা কয়েকজন হামলাকারী কামালকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে তার বুকে ও মাথায় গুলি লাগে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দায়িত্ব পালনকারী এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আগের দিনের একটি ঘটনার জেরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রিয়াজ উদ্দিন আহমদের দেওয়া তথ্যমতে, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কামালকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে।

এদিকে নিহতের স্ত্রী জানিয়েছেন, জোহরের নামাজ শেষে ইজিবাইকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তার স্বামীকে গুলি করে।

নিহতের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব দাবি করেন, একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যরা এ হামলা চালিয়েছে।

কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নায়েক সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় একজনকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পিতলের পাতে খোদাই করা কোরআন এবার জনসম্মুখে

  তামা ও পিতলের পাতে খোদাই করা বিরল ও প্রাচীন একটি কোরআন শরীফ মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে । আঠারো শতকে...