Friday, 24 April 2026

হজের সময় মক্কায় প্রবেশ করলে ১ লাখ রিয়াল জরিমানা


হজের সময় মক্কায় প্রবেশ করলে ১ লাখ রিয়াল জরিমানা

হজ মৌসুমে ভিজিট ভিসাধারীদের মক্কায় পরিবহন করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো দর্শনার্থীকে পবিত্র নগরীতে নিয়ে গেলে পরিবহনকারীকে সর্বোচ্চ ১ লাখ সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২০ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে শুরু হওয়া এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৩০ মে (১৪ জিলহজ) পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এই সময়ের মধ্যে যেকোনো ধরনের ভিজিট ভিসা নিয়ে আসা ব্যক্তিদের মক্কায় প্রবেশ বা পরিবহনের ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটির সরকার।

মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে, যারা নিয়ম ভেঙে ভিজিট ভিসাধারীদের নিয়ে যাবেন, তাদের ওপর এই বিশাল অঙ্কের আর্থিক জরিমানা আরোপ করা হবে। শুধু জরিমানা করেই ক্ষান্ত হবে না প্রশাসন; যে যানবাহনটি এই কাজে ব্যবহার করা হবে, সেটিও বাজেয়াপ্ত করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে। যদি ওই যানের মালিক চালক নিজে হন কিংবা এই অপরাধে তার কোনো সহযোগী বা অংশীদার থাকে, তবে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হজ ও ওমরাহসংক্রান্ত বিধিনিষেধ অমান্য করার যেকোনো ঘটনা নজরে এলে দ্রুত কর্তৃপক্ষকে জানানোর জন্য নাগরিকদের অনুরোধ করেছে সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশের বাসিন্দারা ৯১১ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের জন্য চালু রয়েছে ৯৯৯ নম্বরটি।

মন্ত্রণালয় আশ্বস্ত করেছে যে, তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হবে এবং অভিযোগ করার কারণে কাউকে কোনো ধরনের আইনি ঝক্কি পোহাতে হবে না। মূলত হজের পবিত্রতা রক্ষা এবং নিবন্ধিত হাজিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই প্রতি বছরের মতো এবারও এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি সরকার।

ইরান যুদ্ধ ৩ কোটির বেশি মানুষকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে

 

ইরান যুদ্ধ ৩ কোটির বেশি মানুষকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে

ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও সার সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে, যার ফলে আগামী মাসগুলোতে বিশ্বজুড়ে ৩ কোটির বেশি মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যে নিমজ্জিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) প্রধান আলেকজান্ডার ডি ক্রো।

রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “যুদ্ধ যদি আগামীকালই শেষ হয়, তবুও এর প্রভাব ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং এটি ৩ কোটিরও বেশি মানুষকে দারিদ্র্যে ঠেলে দেবে।” তিনি আরও জানান, কয়েক মাসের মধ্যেই খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি চরমে পৌঁছাবে এবং তা মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

ডি ক্রো উল্লেখ করেন, এই সংকটের প্রভাব ইতোমধ্যে বৈশ্বিক মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ০.৫ থেকে ০.৮ শতাংশ পর্যন্ত ক্ষতি করেছে। বলেন তিনি, “যে অগ্রগতি গড়ে তুলতে দশক লেগে যায়, যুদ্ধের মাত্র কয়েক সপ্তাহেই তা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।”

এদিকে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সারবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রস্তাব এখনও কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে ফ্রান্স ২৪ ও পাসব্লু।

জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি জানিয়েছেন, জাতিসংঘের অনুরোধ এলে ইরান ওই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলে অনুমতি দেবে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি যুক্তরাষ্ট্রের জাতিসংঘ মিশন।

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ২ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা


ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইসরাইলি বিমানবাহিনীর ২ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা

ইসরাইলের বিমানবাহিনীর দুই প্রযুক্তিবিদকে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজ করার অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইলি দৈনিক হারেৎজ।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী, অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এবং পুলিশ এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, অভিযুক্ত দুই সদস্যের বিরুদ্ধে শত্রুকে সহায়তা করা এবং সংবেদনশীল তথ্য হস্তান্তরের মতো গুরুতর নিরাপত্তা অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্তে বলা হয়, একজন সৈন্য সরাসরি বিদেশি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন, আর অন্যজন সেই যোগাযোগে সহায়তা করেছিলেন। শিন বেত জানায়, প্রথমে তারা ইরানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছিলেন, কারণ তারা অস্ত্র-সম্পর্কিত কিছু নির্দেশ পালন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তবে পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আবারও তারা সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের একজন ইরানি এজেন্টকে সামরিক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত উপকরণ, ফাইটার জেট সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য এবং একটি সামরিক ঘাঁটির ভিডিও ও ছবি পাঠিয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইলে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

‘তেহরানের টোলবুথ’ পরিকল্পনা: বৈশ্বিক তেলের বাজার ও অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে

 

‘তেহরানের টোলবুথ’ পরিকল্পনা: বৈশ্বিক তেলের বাজার ও অর্থনীতিতে কী প্রভাব ফেলতে পারে

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন দফার শান্তি আলোচনা। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে তেল ও গ্যাস পরিবহনে ইরানের কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরানের প্রস্তাবিত ১০ দফা শান্তি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী প্রতিটি জাহাজ থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ফি আদায়ের কথা বলা হয়েছে। এই অর্থ পুনর্গঠনের কাজে ব্যয় করা হবে বলে দাবি করেছে তেহরান।

পরীক্ষামূলকভাবে ইতোমধ্যে কিছু জাহাজের কাছ থেকে প্রতি ব্যারেল তেলের জন্য কমপক্ষে ১ ডলার করে টোল নেওয়া হয়েছে। একটি সাধারণ তেলবাহী জাহাজে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল তেল থাকে, ফলে একবার পারাপারে প্রায় ২০ লাখ ডলার দিতে হচ্ছে।

আইনগত অবস্থান কী?

এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের সরাসরি বিরোধী। বিশেষ করে জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (আনক্লস) অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিসহ গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া বা ফি আরোপ করা বৈধ নয়।

যদিও প্রায় ১৭০টি দেশ এই আইন অনুমোদন করেছে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র কেউই এটি স্বাক্ষর করেনি। তবুও ওয়াশিংটন স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের ইরানের দাবি তারা মানে না।

খরচ কত বাড়তে পারে?

প্রতি ব্যারেলে ১ ডলার বাড়লে দৈনিক প্রায় ২ কোটি ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে, যা বছরে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার। তবে সরাসরি এই খরচের চেয়েও বড় প্রভাব পড়তে পারে পরিবহন, বীমা ও নিরাপত্তা ব্যয়ের ওপর।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায়:

জাহাজ ভাড়ার খরচ বাড়বে

বীমা প্রিমিয়াম বৃদ্ধি পাবে

নাবিকদের দ্বিগুণ বেতন দিতে হতে পারে

তেলের দামে কী প্রভাব পড়বে?

সংকটের কারণে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ কমে গেছে। ফলে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৭০ ডলার থেকে বেড়ে ১১৯ ডলারে পৌঁছেছে, এমনকি কিছু ক্ষেত্রে ১৫০ ডলারও ছুঁয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে:

তেলের দাম দীর্ঘমেয়াদে ১০০ ডলারের আশেপাশে থাকতে পারে

২০২৭ সাল পর্যন্ত উচ্চ মূল্য স্থায়ী হতে পারে

ইরানের লাভ কী?

এই টোল থেকে আয় ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এছাড়া:

সামরিক শক্তি পুনর্গঠন

অবকাঠামো উন্নয়ন

তেল রপ্তানি পুনরায় শুরু

এসব ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবে তেহরান।

বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব

বেলজিয়ামের থিংকট্যাঙ্ক Bruegel মনে করে, সরাসরি টোলের প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে খুব বেশি পড়বে না। তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে মাত্র ০.০৫ থেকে ০.৪০ ডলার পর্যন্ত বাড়তে পারে।

তবে বড় উদ্বেগ হলো:

আন্তর্জাতিক জলপথ নিয়ন্ত্রণের নজির তৈরি

তেল সরবরাহ দীর্ঘমেয়াদে ব্যাহত হওয়া

ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা-এর প্রধান ফাতিহ বিরোল এই পরিস্থিতিকে “ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি সংকট” হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, সংঘাত আরও বাড়লে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিতে পারে। আইএমএফ-এর মতে, জি৭ দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

‘তেহরানের টোলবুথ’ পরিকল্পনা সরাসরি খরচের তুলনায় বেশি প্রভাব ফেলতে পারে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, বাজারের স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের ওপর। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে আরও গভীর হতে পারে।

Thursday, 23 April 2026

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

কাবা দেখে যে দোয়া পড়বেন

মসজিদুল হারামে প্রবেশ করার পর যখন কাবা চোখে পড়বে, তখন এ দোয়াটি পড়ুন:

اللهمَّ زِدْ هذا البيتَ تشريفًا وتعظيمًا وتكريمًا ومهابَةً وزِدْ مِن شرَفِهِ وعِظَمِهِ مِمَنْ حجَّهُ أو اعتَمرَهُ تشريفًا وتكريمًا وتعظيمًا ومهابَةً وبِرًا


উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা যিদ হাযাল বাইতা তাশরীফান ওয়া তা'যীমান ওয়া তাকরীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া যিদ মিন শারাফিহি ওয়া ই'যামিহি মিম্মান হাজ্জাহূ আও ই'তামারাহূ তাশরীফান ওয়া তাকরীমান ওয়া তা'যীমান ওয়া মাহাবাতান ওয়া বিররান।

অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি এই পবিত্র ঘরকে আরও বেশি সম্মান, মর্যাদা, মহিমা ও ভয়-ভক্তিতে পূর্ণ করুন। আর যারা হজ বা উমরা করে তাদের মধ্য থেকেও এই ঘরের সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি করুন — তাদেরকে সম্মান, মর্যাদা, মহিমা, ভয়-ভক্তি ও পূণ্য দ্বারা অধিকতর সম্মানিত করুন।

তাবেঈ মাকহুল (রহ.) বর্ণনা করেছেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) কাবা দেখে এ দোয়াটি পড়তেন। (ইবনে হাজার, তালখিসুল হাবীর)

কাবা তাওয়াফের সময় যে দোয়া পড়বেন

কাবা তাওয়াফের সময় যে কোনো দোয়া পড়া যায়। তাওয়াফের এমন কোনো নির্দিষ্ট দোয়া নেই যা না পড়লে তাওয়াফ শুদ্ধ হবে না। হাদিসে কয়েকটি দোয়া পাওয়া যায় যা রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সময় পড়েছেন।

তাওয়াফ শুরুর সময় ও প্রতি চক্করের শুরুতে হাজরে আসওয়াদের সামনে তাকবির (অর্থাৎ আল্লাহু আকবার) বলা সুন্নত। সহিহ বুখারিতে এসেছে—নবিজি (সা.) কাবা ঘরের চারপাশে উটের পিঠে তাওয়াফ করেছিলেন এবং যখনই তিনি হাজরে আসওয়াদ বরাবর পৌঁছতেন, তখন তার হাতে থাকা একটি লাঠি দিয়ে সেদিকে ইশারা করতেন এবং ‘আল্লাহু আকবার’ বলতেন। (সহিহ বুখারি)

রুকনে ইয়ামানি থেকে হাজরে আসওয়াদের দিকে যাওয়ার সময় আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কোরআনে উল্লেখিত এ দোয়াটি পড়েছেন বলে বর্ণিত রয়েছে,

رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِی الدُّنۡیَا حَسَنَۃً وَّ فِی الۡاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ: ‍রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনিয়া হাসানাহ ওয়া ফিল-আখিরাতি হাসানাহ ওয়া কিনা আযাবান-নার

অর্থ: হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দিন, আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আগুনের আযাব থেকে রক্ষা করুন। (সুরা বাকারা: ২০১) (সুনানে আবু দাউদ)

এ ছাড়া তাওয়াফের সময় যে কোনো জিকির, কোরআন-হাদিসে বর্ণিত বা উত্তম অর্থবোধক দোয়া পাঠ করা করা যেতে পারে। 

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, তবু কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ, তবু কূটনৈতিক তৎপরতায় পাকিস্তান
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ২২ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে ইসলামাবাদে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ছবি: সংগৃহিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার একদিন পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শfহবাজ শরিফ বুধবার ইসলামাবাদে ইরানের রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

পাকিস্তান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বৈঠকে ‘বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রচেষ্টা’ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর একদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ান, যা শেষ হওয়ার কথা ছিল কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। আলোচনার জন্য আরো সময় দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে, ইসলামাবাদে আয়োজনের কথা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনা শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়নি। আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আসার কথা থাকলেও তিনি সফরে যাননি বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে, ইরানও কোনো প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালানোর পর সংঘাতের সূচনা হয়, যা দ্রুত লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নিজেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

হজের সময় মক্কায় প্রবেশ করলে ১ লাখ রিয়াল জরিমানা

হজ মৌসুমে ভিজিট ভিসাধারীদের মক্কায় পরিবহন করার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নিয়ম লঙ্ঘন করে কোনো দর্শনার্থীক...