Saturday, 9 May 2026

হজযাত্রীদের ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি

 

হজযাত্রীদের ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি

সৌদি আরব হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য ১১টি ভাষায় ২৪ ঘণ্টা সেবা দিতে একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছে । গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।





হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, এখন থেকে ১৯৬৬ নম্বরে কল করে যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন হজযাত্রীরা।

এই সেবার মাধ্যমে হাজিরা তথ্য জানতে, সহায়তা চাইতে এবং সেবাসংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন। দ্রুত বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সৌদি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে প্রশিক্ষিত কর্মীরা একটি সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে কল ও অভিযোগ পরিচালনা করবেন। উন্নত কল ম্যানেজমেন্ট প্রযুক্তির সহায়তায় প্রশ্নের সঠিক ও দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে।

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অনুসন্ধান ও অভিযোগগুলো যোগ্য কর্মীরা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবেন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান করবেন।

এই ইউনিফায়েড কন্টাক্ট সেন্টার আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামোর ওপর পরিচালিত হচ্ছে। যা কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি, দক্ষতা অনুযায়ী কল বণ্টন, দ্রুত ও নির্ভুল সেবা প্রদান এবং হাজিদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ নিশ্চিত করবে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ।

পশ্চিমবঙ্গে মসজিদে ঢুকে ভাঙচুর, ছিঁড়ে ফেলা হলো কুরআন

 

পশ্চিমবঙ্গে মসজিদে ঢুকে ভাঙচুর, ছিঁড়ে ফেলা হলো কুরআন

পশ্চিমবঙ্গের মসনদে গেরুয়া শিবিরের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ গ্রহণের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক তাণ্ডব, যার কলঙ্কিত কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে কোচবিহারের একটি পবিত্র ধর্মস্থান।

কোচবিহারের ‘ছোট মসজিদ’ নামে পরিচিত একটি মসজিদ এখন শুধু ইট-পাথরের কাঠামো নয়, বরং গভীর ক্ষত ও হাহাকারের প্রতীক, যেখানে বিজেপি-আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জয়োল্লাসের নামে ঢুকে তছনছ করে দিয়েছে সবকিছু। মসজিদের মেঝেতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পবিত্র কোরআন শরীফের ছেঁড়া পাতা এবং ভাঙা আসবাবের সামনে দাঁড়িয়ে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলছেন স্থানীয় মুসল্লিরা।





এক বৃদ্ধ মুসল্লি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তারা কোনোদিন ভাবেননি বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে মসজিদের ভেতরে এভাবে আক্রান্ত হতে হবে এবং তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে এভাবে লাঞ্ছিত করা হবে।

অপর এক যুবক আতঙ্কিত কণ্ঠে জানান, ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই গেরুয়া আবির মেখে একদল উন্মত্ত লোক বাইক নিয়ে মসজিদের সামনে এসে উস্কানিমূলক স্লোগান দিচ্ছিল, এরপর হঠাৎ করেই তারা ভেতরে ঢুকে এই নারকীয় কাণ্ড ঘটায়। রাজ্যের আনাচে-কানাচে এখন সংখ্যালঘু বিদ্বেষের বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়েছে, এবং কোচবিহার থেকে বীরভূম সর্বত্রই মুসলিম সম্প্রদায়ের দোকানপাট ও ঘরবাড়িতে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠেছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার ‘৭০-৩০’ বিভাজনের রাজনীতি উসকে দিয়েছেন। তার এই উত্থানই দুষ্কৃতীদের মনে এক ধরনের ইনডেমনিটি বা ছাড়পত্রের অনুভূতি তৈরি করেছে।

এদিকে খোদ কলকাতায় তৃণমূলের দপ্তরগুলোতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটছে, এবং বিজেপি নেতা-কর্মীরা জয়ী হয়েই আমিষ খাবার ও বিরিয়ানির দোকান বন্ধ করার হুমকি দিচ্ছে, যা বাংলার খাদ্যাভ্যাস ও সংস্কৃতির ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একদিকে যখন ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতে রাজকীয় শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই রাজ্যের অন্যপ্রান্তে এক সংখ্যালঘু মা নিজের ঘর পুড়তে দেখে হাহাকার করছেন।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এটাই কি সেই ‘সোনার বাংলা’, যার স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল? পুলিশ ও প্রশাসনের নির্লিপ্ততা এবং নবনির্বাচিত শাসকদলের আগ্রাসী মনোভাব ইঙ্গিত দিচ্ছে যে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এক গভীর অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি হতে পারে, যেখানে শান্তির চেয়ে বিদ্বেষই রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে।

ইরানের ওপর মার্কিন হামলা আত্মরক্ষামূলক, দাবি সেন্টকমের

 

ইরানের ওপর মার্কিন হামলা আত্মরক্ষামূলক, দাবি সেন্টকমের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরান সমর্থিত বাহিনীর ওপর সাম্প্রতিক হামলাগুলো সম্পূর্ণ ‘আত্মরক্ষামূলক’ পদক্ষেপ ছিল।

ফ্লোরিডার টাম্পাভিত্তিক এই কমান্ড সেন্টার থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।



সেন্টকমের এই বক্তব্য চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের দেওয়া বিবৃতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই সপ্তাহে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র আত্মরক্ষার স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে একই ধরনের মন্তব্য করেছেন।

প্রেসিডেন্ট তার পোস্টে দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য ইরানকে দায়ী করে তিনি বলেন, মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় তারা পাল্টা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

তবে এই সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। ইরান দাবি করেছে, এই সংঘর্ষে মার্কিন জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। তারা জানিয়েছে, মার্কিন জাহাজের কোনো ক্ষতি হয়নি।

সূত্র: আলজাজিরা

Friday, 8 May 2026

পিতলের পাতে খোদাই করা কোরআন এবার জনসম্মুখে

 

পিতলের পাতে খোদাই করা কোরআন এবার জনসম্মুখে

তামা ও পিতলের পাতে খোদাই করা বিরল ও প্রাচীন একটি কোরআন শরীফ মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে । আঠারো শতকের এই শিল্পকর্মটি দর্শক ও গবেষকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে।

ধাতব পাতের ওপর অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও নিখুঁতভাবে কোরআনের আয়াতগুলো খোদাই করা হয়েছে, যা তৎকালীন শিল্পীদের অসামান্য দক্ষতা ও ধৈর্যকে ফুটিয়ে তোলে। এই বিরল কোরআন দেখতে প্রতিদিন শত শত পর্যটক ও স্থানীয় দর্শনার্থী ভিড় করছেন।





জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রদর্শনী মূলত দর্শকদের কোরআন সংরক্ষণের ঐতিহাসিক পরিক্রমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার একটি প্রয়াস। ইসলামের সূচনালগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত কোরআনকে সুন্দর ও অবিকৃতভাবে ধরে রাখার জন্য মুসলিম উম্মাহ যে কতটা সচেষ্ট ছিল, তারই প্রতিফলন এই জাদুঘর।

এখানে চামড়া ও প্রাচীন কাগজের পাণ্ডুলিপির পাশাপাশি ধাতব পাতে খোদাই করা এই শিল্পকর্মটি ইসলামী লিপিশিল্প বা ক্যালিগ্রাফির এক অনন্য ধারাবাহিকতা তুলে ধরছে।

শিল্পবোদ্ধাদের মতে, এই নিদর্শনটি প্রমাণ করে যে মুসলিম বিশ্বে পবিত্র কোরআন সংরক্ষণে শুধু কাগজের ওপর নির্ভর করা হয়নি, বরং স্থায়িত্ব ও সৌন্দর্যের জন্য সোনা, রুপা ও তামার মতো মূল্যবান ধাতুরও ব্যবহার হয়েছে। এটি একইসঙ্গে নান্দনিক সৃজনশীলতা ও অগাধ ভক্তির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ।

পবিত্র কোরআন জাদুঘরটি মক্কার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। যেখানে আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি প্রাচীন এসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাধ্যমে দর্শনার্থীরা ইসলামের সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা পাচ্ছেন।

ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি

 

ইরানের প্রক্সি হামলার আতঙ্কে জার্মানি
ছবি: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।



অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে

জার্মানির অভ্যন্তরে ইরান সমর্থিত সম্ভাব্য হামলার হুমকি নিয়ে দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান মাটিতে নাশকতার ঝুঁকি কতটা প্রকট, তা সাধারণ মানুষকে জানানো নিয়ে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত।

নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট ইরানি হুমকির কথা স্বীকার করলেও সেটিকে কেবল ‘তাত্ত্বিক’ বা ‘অনুমাননির্ভর’ হিসেবে বর্ণনা করছেন।

অন্যদিকে, জার্মানির আঞ্চলিক গোয়েন্দা প্রধানরা মনে করছেন, এই হুমকি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং জরুরি।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ায় সাধারণ মানুষ এই বিপদ সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন হচ্ছে না।

জার্মানিতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানবিরোধী হামলায় ব্যবহৃত হওয়ায় তেহরান বার্লিনকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, ইরান সরাসরি নিজের এজেন্ট ব্যবহারের বদলে ভাড়টে চক্র বা প্রক্সি এজেন্টদের মাধ্যমে জার্মানিতে ‘হাইব্রিড’ হামলার পরিকল্পনা করছে। ইতোমধ্যে জার্মানির বিভিন্ন ইহুদি ও ইসরাইলি প্রতিষ্ঠান এবং ইরানি সরকারের সমালোচকদের ওপর হামলার অন্তত ৫০টি ছক শনাক্ত করেছে ইউরোপীয় গোয়েন্দারা।

গত মাসে মিউনিখের একটি ইসরাইলি রেস্তোরাঁয় জানালা ভাঙচুর ও বিস্ফোরক ছোড়ার ঘটনায় ইরানি প্রক্সিদের সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘হারাকাত আসহাব আল-ইয়ামিন আল-ইসলামিয়া’ নামের একটি গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেছে, যাদের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্কের প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দারা। এই গোষ্ঠীটি ইউরোপের আরো কয়েকটি দেশে একই ধরনের হামলার দাবি করেছে।

এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে মিউনিখে ইরানবিরোধী এক বিশাল বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ওপর ইরানি গোয়েন্দারা নজরদারি ও হামলা চালিয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা ইরানি এসব তৎপরতা ও ষড়যন্ত্রের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে চ্যান্সেলর কার্যালয় সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা লক্ষ্যবস্তু নিয়ে জনসমক্ষে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

ইরানে আবারো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির

 

ইরানে আবারো মার্কিন হামলা, পাল্টা আঘাতের দাবি আইআরজিসির
ফাইল ছবি

চলমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দের পাশাপাশি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা দুটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের খবর নিশ্চিত করেছে।





রয়টার্স ও আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলেও বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। মিনাব শহরের গভর্নর একটি সামুদ্রিক ঘাঁটিতে হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন। এ ছাড়া বন্দর আব্বাস শহরে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

দেশটির যৌথ সামরিক সদর দপ্তর বন্দর খামির এবং সিরিক শহরে হামলার কথা জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলায় ইরানের দুটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি তেলের ট্যাঙ্কার। এই ঘটনা ইতোমধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।

এর জবাবে ইরানের বিশেষায়িত বাহিনী আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

ইরানি সূত্রগুলো বর্তমানে পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’ বলে দাবি করলেও এই উত্তেজনা কতক্ষণ নিয়ন্ত্রণে থাকবে, তা নিয়ে শঙ্কা বাড়ছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক পোস্টে দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ডেস্ট্রয়ারগুলো সফলভাবে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে।

অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, সংঘর্ষে মার্কিন জাহাজের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

পারস্য উপসাগরে দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।

হজযাত্রীদের ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি

  সৌদি আরব হজ ও ওমরাহযাত্রীদের জন্য ১১টি ভাষায় ২৪ ঘণ্টা সেবা দিতে একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছে । গালফ নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে। হজ ও ওমরাহ মন্ত...