Saturday, 7 March 2026

জানা গেল ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

 

জানা গেল ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে বলে জানিয়েছে শারজাহ একাডেমি ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স ও টেকনোলজি।

একাডেমির জ্যোতির্বিজ্ঞান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানায়, তাদের গণনা অনুযায়ী ১৪৪৭ হিজরির রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে। ফলে ২০ মার্চ হবে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন এবং ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানান, ১৮ মার্চ (রমজানের ২৯তম দিন) চাঁদ দেখার প্রচলিত রাতে পশ্চিম দিগন্তে সূর্যাস্তের আগেই চাঁদ অস্ত যাবে। তাই ওই দিন আমিরাতে নতুন চাঁদ দেখা সম্ভব হবে না এবং ১৯ মার্চ রমজানের শেষ দিন হিসেবে গণ্য হবে।

তবে ওই দিন আমিরাতে চাঁদ দেখা খুবই কঠিন হবে বলে জানিয়েছে একাডেমি। এমনকি দূরবীন ব্যবহার করেও দেখা কঠিন হতে পারে, যদিও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করলে চাঁদের ছবি ধারণ করা সম্ভব হতে পারে।

তবে পশ্চিমের কিছু আরব ও মুসলিম দেশে ভৌগোলিক ও জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবস্থার কারণে চাঁদ দেখা সম্ভব হতে পারে বলে জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা।

এই হিসাবের ভিত্তিতে ২০ মার্চ শুক্রবার আমিরাতসহ অনেক ইসলামি দেশে ঈদুল ফিতর পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

১৮ তম তারাবি: কোরআন মহান আল্লাহর সত্য বাণী


১৮ তম তারাবি: কোরআন মহান আল্লাহর সত্য বাণী

আজ ১৮তম তারাবিতে সূরা আনকাবুত (৪৫-৬৯), সূরা রুম, সূরা লোকমান, সূরা আলিফ-লাম সাজদা এবং সূরা আহযাব (১-৩০) পড়া হবে। আজ পড়া হবে ২১তম পারা। পাঠকদের জন্য আজকের তারাবিতে পঠিতব্য অংশের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরা হলো।

২৯. সূরা আনকাবুত (৪৫-৬৯)

পারার প্রথম আয়াতে কোরআন শরিফ তেলাওয়াতের এবং সালাত কায়েমের আদেশ প্রদান করা হয়েছে। নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীল ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। নবী মুহাম্মদ (সা.) এর নবুয়তের সত্যতার প্রমাণ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, নবীজি নিরক্ষর ছিলেন, না লিখতে পারতেন, না পড়তে জানতেন। যদি লেখাপড়া জানতেন, তাহলে বাতেল-পূজারিরা সন্দেহ করতে পারত যে, মুহাম্মদ পূর্ববর্তী কিতাব থেকে এসব জ্ঞান অর্জন করেছেন। আসলে বিশ্বাসীদের জন্য তো অলৌকিক বিষয় হিসেবে কোরআনই যথেষ্ট। এর পর অস্বীকারকারীদের অবস্থা বর্ণনা করা হয়েছে এবং মুত্তাকিদের আলোচনা করা হয়েছে। হিজরতের সময় এবং দ্বীনের পথে যত বিপদাপদ আসে, সবক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাতৃভূমি ত্যাগের সময় জীবিকা ও অর্থনৈতিক পেরেশানি থাকা স্বাভাবিক। তাই সান্ত¡না দিয়ে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ অসহায় প্রাণীদের রিজিকের ব্যবস্থা করেন; তোমাদের রিজিকের ব্যবস্থাও তিনি করবেন। সুতরাং হিজরতের সময় দারিদ্র্য বা নিঃস্ব হওয়ার ভয় করো না। সূরার শেষে আল্লাহ বলছেন, ‘যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, অতি অবশ্যই আমি তাদের আমার সুপথ দেখিয়ে দেই, নিশ্চয়ই আল্লাহ সজ্জনদের সঙ্গে আছেন।’

৩০. সূরা রুম (মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত ৬০, রুকু ৬)

কোরআন কারিম আল্লাহ তায়ালার সত্য কালাম এবং চিরজীবন্ত মোজেজা। এর একটি প্রমাণ হলো- কোরআনে বহু ভবিষ্যদ্বাণী বর্ণিত হয়েছে, যুগে যুগে যা বাস্তবায়িত হয়ে আসছে। সূরার শুরুতে এমনই একটি ভবিষ্যদ্বাণীর কথা বর্ণিত হয়েছে, যা পরবর্তীতে বাস্তবায়িত হয়েছিল। সূরাটি নাজিলের সময় রোমানরা জীবন-মৃত্যুর চরম সংকটকাল অতিক্রম করছিল। একের পর এক যুদ্ধে পরাজয় বরণ করছিল। এমন পরিস্থিতিতে কোরআন ভবিষ্যদ্বাণী করে, কয়েক বছরের মধ্যেই রোমানরা পারসিকদের ওপর বিজয় লাভ করবে। মুশরিকরা ভবিষ্যদ্বাণীটি শুনে বিদ্রƒপ করেছিল। কিন্তু ঠিক ৯ বছরের মাথায় কোরআনের এই ভবিষ্যদ্বাণীটি বাস্তবে পরিণত হলে মুশরিকদের মুখে চুন-কালি পড়ে যায়। এছাড়া সূরায় কিছু নিদর্শন এবং প্রমাণ বর্ণিত হয়েছে, যা আল্লাহর বড়ত্ব এবং শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন। জীবিত থেকে মৃত, মৃত থেকে জীবিতকে মহান আল্লাহই সৃষ্টি করেন, নিষ্প্রাণ মাটি থেকে তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেন। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ভালোবাসা তিনিই পয়দা করেন। দিন-রাতে মানুষকে নিদ্রা দ্বারা প্রশান্তি দান করেন। আকাশে বিজলি চমকায়। এতে মনে আশা ও ভয়ের সঞ্চার হয়। অতঃপর বৃষ্টি হলে মৃত জমি পুনর্জীবিত হয়ে ওঠে। আসমান-জমিন এবং উভয়ের মধ্যবর্তী সবকিছু তিনিই সৃষ্টি করেছেন। কোন খুঁটি ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে আসমান। মানুষকে বিচিত্র ভাষা ও রং দান করেছেন। এসব কিছুই তাওহীদ ও একত্ববাদের শিক্ষা দেয়। সূরায় বলা হয়েছে, সুদ সম্পদ হ্রাস করে, জাকাত সম্পদ বৃদ্ধি করে। আরও বলা হয়েছে, পৃথিবীতে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রধান কারণ মানুষের গোনাহ। কেয়ামতের বিবরণের মাধ্যমে সূরাটি সমাপ্ত হয়েছে।

৩১. সূরা লোকমান (মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত ৩৪, রুকু ৪)

পবিত্র কোরআনের আলোচনা দিয়ে সূরাটির সূচনা। এরপর পুরা সূরায় রয়েছে আল্লাহর সৃষ্টি-কুশলতার বিবরণ। সূরার দ্বিতীয় রুকুতে সন্তানকে লক্ষ্য করে হজরত লোকমানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ বর্ণিত হয়েছে। উপদেশগুলো হলো- আল্লাহর সঙ্গে কাউকে শরিক করো না, বাবা-মায়ের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করো। সালাত কায়েম করো। সৎ কাজের আদেশ করবে, মন্দ কাজে বাধা দেবে আর বিপদ-আপদে ধৈর্যধারণ করবে। অহংকার পরিহার করবে। চলাফেরায় মধ্যম পন্থা অবলম্বন করবে এবং নিচু স্বরে কথা বলবে। মনে রাখবে, ভালো-মন্দ তুমি যা-ই করবে, তা ক্ষুদ্র হোক কিংবা বড়, যেখানেই কর না কেন, কাল কেয়ামতের দিন আল্লাহ তা হাজির করবেনই। সূরার শেষে বলা হয়েছে, মানুষের রিজিক, মৃত্যু, কেয়ামত, বৃষ্টি এবং মাতৃগর্ভের বাচ্চা- এ পাঁচ জিনিসের পূর্ণ ও সঠিক জ্ঞান শুধু আল্লাহর কাছেই আছে।

৩২. সূরা সিজদাহ (মক্কায় অবতীর্ণ, আয়াত ৩০, রুকু ৩)

পূর্বের সূরার মতো এ সূরাটির সূচনাও পবিত্র কোরআনের আলোচনা দিয়ে। এর পর সূরায় রয়েছে আল্লাহর একত্ববাদ ও কুদরতের প্রমাণের বর্ণনা। রয়েছে দৃষ্টিনন্দন এবং সুষম আকৃতির মানুষ সৃষ্টির বিবরণ। সূরায় মোমিন এবং অপরাধী উভয়ের দুনিয়া-আখেরাতের অবস্থা বর্ণিত হয়েছে। দুনিয়ায় মোমিনরা আল্লাহর আনুগত্য করে রাত জেগে জেগে ইবাদত করে। তাই আখিরাতে তাদের জন্য থাকবে নয়নজুড়ানো সব প্রতিদান। পক্ষান্তরে কাফেরদের জন্য থাকবে কঠিন শাস্তি। সূরার শেষাংশে মূসা (আ.) কে তাওরাত দানের প্রসঙ্গ ধরে নবীজিকে বলা হয়েছে, আল্লাহর সঙ্গে আপনার সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত। সুতরাং কাফিরদের থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখুন।

৩৩. সূরা আহযাব (মদিনায় অবতীর্ণ, আয়াত ৭৩, রুকু ৯)

সূরায় মৌলিকভাবে তিনটি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছেঃ- সামাজিক শিষ্টাচার, ঐশী বিধিবিধান এবং নবী-যুগে সংগঠিত দুটি যুদ্ধ, তথা গাজওয়ায়ে আহজাব ও গাজওয়ায়ে বনি কুরাাইজা। সূরাটিতে যুদ্ধকালীন ঈমানদারদের অবস্থান এবং মুনাফিকদের কর্মকা-ের প্রতি ইঙ্গিত রয়েছে। জাহেলি যুগের কিছু ধ্যানধারণা ও বিশ্বাসের খ-ন করা হয়েছে। পালকপুত্র সম্পর্কে ইসলামের নির্দেশনা বর্ণনা করা হয়েছে। একই হৃদয়ে ঈমান এবং কুফরের সম্মিলন ঘটতে পারে না মর্মে ঘোষণা রয়েছে। সূরায় বলা হয়েছে, আল্লাহ-প্রার্থীদের জন্য নবীজীবনেই রয়েছে উত্তম আদর্শ।

উপসাগরে মার্কিন জাহাজ ঢুকলে ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

 

উপসাগরে মার্কিন জাহাজ ঢুকলে ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
ছবি: সংগৃহীত।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলের যৌথ হামলার বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এ পরিস্থিতিতে ইরানের একজন সামরিক মুখপাত্র সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, পারস্য উপসাগরে কোনো মার্কিন জাহাজ প্রবেশ করলে লক্ষ্যবস্তু করা হবে এবং সেগুলো সমুদ্রের তলায় চলে যাবে।’

এই হুঁশিয়ারি এসেছে এমন সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে প্রয়োজনে মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) আগেও সতর্ক করেছিল যে এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী মার্কিন বা মিত্র জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে, যা অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ডিভাইসমুক্ত হোক এবারের ইতিকাফ

ডিভাইসমুক্ত হোক এবারের ইতিকাফ

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের বিশেষ সময়। গোটা মাসটাই আমলের মৌসুম তবে এই মাসের শেষ দশ দিন আরো গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময়ে মহাত্বপূর্ণ একটি ইবাদত রয়েছে, সেটা হলো—ইতিকাফ। ইতিকাফের মাধ্যমে একজন মুমিন কিছু দিনের জন্য দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে নিজেকে আলাদা করে আল্লাহর ইবাদতে নিবিষ্ট হন। রাসুলুল্লাহ (সা.) জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন, তার ওফাত পর্যন্ত এই নিয়ম চালু ছিল। এরপর তার সহধর্মিণীগণও (সে দিনগুলোতে) ইতিকাফ করতেন। (বুখারি, ২০২৬; মুসলিম, ১১৭২)।

ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো অন্তরকে আল্লাহর দিকে সম্পূর্ণভাবে নিবন্ধ করা এবং দুনিয়ার ব্যস্ততা, পাপাচার ও ধোঁকা থেকে দূরে থাকা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন, তোমরা মসজিদে ইতিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সাথে সহবাস করো না। (সূরা বাকারা, ১৮৭) এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইতিকাফ এমন একটি অবস্থা যেখানে মানুষ দুনিয়াবি কাজ, চাহিদা ও সম্পর্ক থেকে নিজেকে বিরত রেখে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের চেষ্টায় মগ্ন হয়।

ইতিকাফের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ মহাত্ব হলো—এর মাধ্যমে নিশ্চিতভাবেই লাইলাতুল কদর পাওয়া যায়। আর লাইলাতুল কদর হলো হাজার মাসের চেয়েও উত্তম একটি রাত। আল্লাহ তায়ালা এ রাতে পবিত্র কুরআন নাজিল করেছেন (সুরা কদর, আয়াত-১-৩)

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমরা রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অন্বেষণ কর। (বুখারি, ২০২০)

ইতিকাফকারী গোনাহমুক্ত পরিবেশে থাকার সুযোগ পায়। শরীয়তের দৃষ্টিতে, ইতিকাফের নিয়তে মসজিদে কেবল অবস্থান করাটাও ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়, যদি এ সময় কেউ কোনো আমল নাও করে।

কিন্তু বর্তমান যুগের একটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো—মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট। অনেক সময় দেখা যায়, কেউ মসজিদে ইতিকাফে বসেছেন, কিন্তু তার অধিকাংশ সময় কাটছে মোবাইল ব্যবহার করে—সোশ্যাল মিডিয়া দেখা, অপ্রয়োজনীয় আলাপ করে বা বিভিন্ন খবর পড়ার মাধ্যমে। এর ফলে ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ইসলামের সৌন্দর্যের একটি দিক হলো, মানুষ অনর্থক বিষয় পরিত্যাগ করবে। (তিরমিজি, ২৩১৭)

ইতিকাফে বসে যদি আমরা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি বেশি মোবাইল ব্যবহার করি, তাহলে তা অনেকাংশে এই হাদিসের শিক্ষার বিপরীত হয়ে যায়। তাই বিজ্ঞা আলেমগণ পরামর্শ দিয়েছেন—ইতিকাফকে ডিভাইসমুক্ত রাখা উত্তম। যদি খুব প্রয়োজনে কোনো ডিভাইস সাথে নিতেও হয়, সেক্ষেত্র আমরা আমাদের ডিভাইসে বিভিন্ন সিকিউরিটি অ্যাপস ইনস্টল করে রাখতে পারি—যাতে অযাচিত কোনো ছবি বা ভিডিও সামনে না আসে।

এক্ষেত্রে কাহাফ গার্ড নামের একটি মোবাইল অ্যাপলিকেশন বর্তমানে বেশ সাড়া জাগিয়েছে, আমরা এটা ডিভাইসে ইনস্টল করে রাখতে পারি।

Kahf Guard-এর কার্যকতারিতা হলো, কোনো ডিভাইসে এই অ্যাপলিকেশনটি ইনস্টল করা থাকলে লক্ষ লক্ষ পর্নোগ্রাফিক সাইটসহ খারাপ বা অশ্লীল ছবি ও ভিডিওকে DNS লেভেলে ব্লক করে দেয়। সুতরাং মোবাইল বা ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও অযাচিত কোনো কিছু সামনে আসার কোনো সুযোগ আর থাকবে না। এছাড়া Kahf Browser নামের একটি সেবাটি গ্রহণ করতে পারি। এটা মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটি হালাল ব্রাউজিং সেবা। ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে গেলে অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবেই অনুপযুক্ত বা অশ্লীল ছবি বা ভিডিও চোখের সামনে আসে। Kahf Browser এই অনিচ্ছাকৃত এক্সপোজার থেকে ডিভাইসকে স্বংয়ক্রিয়ভাবে রক্ষা করার কাজটি করে থাকে। ওয়েবসাইটে থাকা অশ্লীল বা অনুপযুক্ত ছবি এবং ভিডিওতে থাকা অনুপযুক্ত দৃশ্যও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঝাপসা হয়ে যায়।

ইতিকাফ আসলে এক ধরনের আধ্যাত্মিক রিট্রিট। এটি এমন সময় যখন একজন মুমিন আল্লাহর সাথে নিজের সম্পর্ককে নতুনভাবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। যদি এই সময়টিও মোবাইলের পর্দায় কাটে বা অযাচিত ছবি বা ভিডিও দেখতে হয় তাহলে ইতিকাফের গভীরতা অনেকটাই হারিয়ে যায়। তাই আমাদের চেষ্টা করা উচিত—রমজানের শেষ দশ দিনের এই মূল্যবান আমলের সময়টিকে যতটা সম্ভব ডিভাইসমুক্ত রাখা।

রমজানের এই বরকতময় সময় আমাদের জীবনকে পরিবর্তন করার একটি সুবর্ণ সুযোগ। যদি আমরা সচেতনভাবে মোবাইল ও দুনিয়াবি বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকি, তাহলে ইতিকাফ সত্যিই আমাদের হৃদয়কে আলোকিত করতে পারে এবং অর্জিত হবে আল্লাহর নৈকট্য।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ৬৬০ সুন্নি ধর্মীয় নেতার

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান ৬৬০ সুন্নি ধর্মীয় নেতার

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশের সুন্নি মুসলিম ধর্মীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার (৬ মার্চ) পার্স টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিস্তান ও বেলুচিস্তান প্রদেশের ৬৬০ জন সুন্নি আলেম সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির শাহাদাতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, খামেনি তার দীর্ঘ জীবনে সত্য প্রতিষ্ঠা, ইসলামের পক্ষে সংগ্রাম এবং নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ধর্মীয় নেতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি শহীদের মর্যাদা লাভ করে আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌঁছেছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আলেম-ওলামা, চিন্তাবিদ এবং বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মুসলমানদের জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। তারা উল্লেখ করেছেন, এই হামলা কোনো নির্দিষ্ট জাতি বা ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে নয়; বরং এটি ইসলাম ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর বিরুদ্ধে লক্ষ্যবস্তু।

ইসরাইলে টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান, লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা

 আমার দেশ অনলাইন

ইসরাইলে টানা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান, লক্ষ্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দুর্বল করা

ইসরাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলার উদ্দেশ্য হলো ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলা এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে নিঃশেষ করে দেওয়া।

সাম্প্রতিক কয়েক ঘণ্টায় ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বেয়ারশেবা, যা নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত, সেখানে একাধিকবার বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেন বেজে উঠেছে। একই ধরনের সতর্কতা দেশের উত্তরাঞ্চলেও জারি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এমনভাবে হামলা চালাচ্ছে যাতে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ চাপের মধ্যে থাকে। এতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সব সময় সতর্ক থাকতে হচ্ছে এবং একাধিক স্থানে একযোগে হামলা মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

এর ফলে ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টর দ্রুত ব্যবহৃত হচ্ছে এবং ধীরে ধীরে সেই মজুদ কমিয়ে দেওয়াই ইরানের কৌশল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এছাড়া ইরান বিশ্বকে দেখাতে চাইছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধবিমান, যুদ্ধজাহাজ এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের এক সপ্তাহের টানা হামলার পরও তাদের সামরিক সক্ষমতা পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান এখনও ইসরাইলসহ পুরো অঞ্চলে হামলা চালানোর সক্ষমতা ধরে রেখেছে এবং চলমান সংঘাতে তা প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।

Friday, 6 March 2026

লেবানন সীমান্তে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক হামলায় ৮ ইসরাইলি সেনা আহত

লেবানন সীমান্তে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক হামলায় ৮ ইসরাইলি সেনা আহত

ছবি: সংগৃহীত।

লেবানন সীমান্তের কাছে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮ জন ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। খবর আলজাজিরা

আহতদের মধ্যে গিভাতি ব্রিগেডের ৫ জন সেনা গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। এছাড়া একই ব্রিগেডের আরও ৩ জন সেনা সামান্য আহত হন।

আহত সেনাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

সাম্প্রতিক সময়ে লেবানন সীমান্তে ইসরাইলি বাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে এবং বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

জানা গেল ঈদের সম্ভাব্য তারিখ

  সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী ২০ মার্চ (শুক্রবার) পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে বলে জানিয়েছে শারজাহ একাডেমি ফর অ্যাস্ট্রোনমি, স্পেস সায়েন্স ...