Monday, 29 February 2016

টি-টোয়েন্টিতেও নতুন যুগের সূচনা


‘ছোট’ ক্রিকেটে লঙ্কার বিপক্ষে প্রথম জয়

টি-টোয়েন্টিতেও নতুন যুগের সূচনা

৫৪ বলে ৮০ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলার পথে সাব্বির রহমানের আরেকটি নয়নাভিরাম শট। কাল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে l শামসুল হক


হাত থেকে বলটা যখন ছিটকে বেরিয়ে গেল, সেকেন্ডের ভগ্নাংশের জন্য কি হৃৎস্পন্দন থেমে গিয়েছিল সাকিবের? দ্বিতীয় চেষ্টায় বলটিকে ক্যাচ বানানোর আগে নিমেষের জন্য কি মনে হয়েছিল, ‘থামিল কালের চিরচঞ্চল গতি’!
ভারতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলার পর চারপাশ থেকে সমালোচনার তির এসে বিঁধেছে গায়ে। সেই ক্যাচ ফেলার তাৎপর্য বুঝতে সময় লেগেছিল। এটির ক্ষেত্রে সেই সমস্যা ছিল না। তখনই বলে দেওয়া যেত, ক্যাচ নয়, ম্যাচটিই হাত থেকে ফেলে দিলেন সাকিব।
বাংলাদেশ আর জয়ের মাঝখানে দাঁড়িয়ে তখন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। সেই ম্যাথুসের ক্যাচ। যেটির আগ পর্যন্ত ম্যাচের সমীকরণ—বল বাকি ১৮টি, শ্রীলঙ্কার চাই ৪৬ রান। সাকিবের হাত থেকে ক্যাচ, থুড়ি ম্যাচটা ছিটকে বেরিয়ে যাচ্ছিল। পড়িমরি করে তা ধরে ফেললেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জয়ের গল্পটাও আসলে লেখা হয়ে গেল তখনই।
আল আমিন যখন শেষ ওভারটি করতে এলেন, সেটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা। বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাস এমন নিরুদ্বিগ্ন শেষ ওভার আর কখনো দেখেনি। কাগজে-কলমে তখনো শ্রীলঙ্কা ম্যাচে আছে। তবে ৬ বলে ৩২ রান শুধু গাণিতিকভাবেই সম্ভব, মাঠের খেলায় নয়। সেই ওভারে একটা ছক্কা খেলেন আল আমিন, তাতে কি আসে যায়! ওই ছক্কা নয়, তিনি বরং মনে রাখবেন বোনাস হিসেবে পেয়ে যাওয়া দুটি উইকেট।
বাংলাদেশ যেমন এই ম্যাচটা মনে রাখবে টি-টোয়েন্টির নতুন যুগের সূচনা হিসেবে। ওয়ানডেতে প্রবল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েও টি-টোয়েন্টিতে নেহাতই হরিজন মাশরাফির দলে এখন ছড়িয়ে যাবে এই বিশ্বাস, ‘ছোট ক্রিকেটেও এখন আর আমরা ছোট দল নই।’
মেলবোর্নে বিশ্বকাপের ম্যাচের প্রায় এক বছর পর আবার দেখা দুদলের। এই শ্রীলঙ্কা একটু অচেনাই। শ্রীলঙ্কা মানেই তো ক্যান্ডির এক বাঁহাতির অত্যাচার। সঙ্গে এক ডানহাতির ব্যাটে রেশমি পরশ। সেই সাঙ্গাকারা ও জয়াবর্ধনে এখন ক্রিকেট-অতীতের অ্যালবামে স্থির ছবি। হাঁটুর চোট এই ম্যাচে দর্শক বানিয়ে রাখল লাসিথ মালিঙ্গাকেও।
শ্রীলঙ্কাকে হারানোর এমন সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করলে তা বড় দুঃখের ব্যাপার হতো। ম্যাচের শুরুটা অবশ্য সেই দুঃখগাথার সূচনা বলেই মনে হচ্ছিল। প্রায় ৩৮ মাস পর শ্রীলঙ্কার পক্ষে টি-টোয়েন্টিতে ম্যাথুসের টস করতে নামা। সেটিরই উদ্যাপন প্রথম ওভারেই উইকেট নিয়ে। অধিনায়কত্বের সঙ্গে অবশ্য এটা মেলানো ঠিক হলো না। একসময় ওয়ানডেতে যেমন ছিলেন চামিন্ডা ভাস, টি-টোয়েন্টিতে তেমনি ম্যাথুস। প্রথম ওভারেই উইকেট নেওয়াটা যিনি অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছেন। কাল দশমবারের মতো শুরুতেই উইকেট। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁর নিজের দলেই। কাল নতুন বলে তাঁর সঙ্গী নুয়ান কুলাসেকারা। তাঁরও প্রথম ওভারেই উইকেট। ক্যারিয়ারে নবমবারের মতো।
ম্যাচের বয়স দেড় ওভার, স্কোরবোর্ডে ২/২। দুই ওপেনারই শূন্য রানে আউট। ৩ ওভার শেষে স্কোর ২ উইকেটে ৬। সাব্বির সিদ্ধান্ত নিলেন, এবার কিছু একটা না করলে শ্রীলঙ্কানরা আরও ঘাড়ে চেপে বসবে। কুলাসেকারার ওভারের প্রথম চারটি বল ছুটে গেল মাঠের চার কোণে, দ্বিতীয়টি হাওয়ায় ভেসে। যে ৬৫ মিনিট উইকেটে ছিলেন, মুগ্ধতা ছড়ানো সব শটে ছড়িয়ে দিলেন বার্তাটা—এটি বোধ হয় বাংলাদেশেরই রাত!
৬ ওভারের পাওয়ার প্লে শেষে বাংলাদেশের স্কোর ৪১, এর ৩৫-ই সাব্বিরের ব্যাট থেকে। ২০ ওভার শেষেও বাংলাদেশের ইনিংস একই রকম সাব্বিরময়। ৫৪ বলে তাঁর ৮০ রান। অতিরিক্ত ধরেও দলের বাকি সাত ব্যাটসম্যানের যেখানে ৬৬ বলে ৬৭।
ছেলেমানুষি ভুলে মুশফিকুরের রান আউটে বাংলাদেশ যখন ৩ উইকেটে ২৬, সাব্বির সঙ্গী পেলেন সাকিবকে। এই ‘সা-সা’ জুটিতেই নিকষ অন্ধকার থেকে উজ্জ্বল আলোতে উদ্ধার। আলো তখন গ্যালারিতেও।
গত কিছুদিন মিরপুরে দর্শকেরা এক নতুন খেলায় মেতেছেন। হঠাৎই সবার হাতে হাতে মোবাইলের বাতি জ্বলে উঠে যেন সহস্র তারায় সেজে ওঠে গ্যালারি। সাব্বিরের ব্যাটেও কাল এমনই তারার ঝিকিমিকি। ছক্কা মেরে ফিফটি, আউটও ছক্কা মারতে গিয়েই। চামিরার আগের বলেই ছক্কা মেরেছিলেন। ছক্কা মারার নেশায় পেয়ে না বসলে একটা অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিতে পারতেন সাব্বির। টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেরই এখনো টি-টোয়েন্টিতে সেঞ্চুরি নেই। সাব্বির আউট হওয়ার সময় চার ওভার বাকি, এর অর্ধেকও থাকতে পারলে সাব্বিরকে সেঞ্চুরিবঞ্চিত করার সাধ্য ছিল না শ্রীলঙ্কার এই বোলিংয়ের।
বিরতির সময় টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে সাকিব বললেন, রানটা ১৬০ হলে ভালো হতো। এই উইকেটে এটা ‘পার’ স্কোর। সেই ‘পার’ স্কোরকেই শ্রীলঙ্কার জন্য অগম্য এক বন্দর বানিয়ে ফেললেন বাংলাদেশের বোলাররা। সেটির নেতৃত্বেও সাকিব। প্রথম বলেই ফেরালেন শ্রীলঙ্কার এই দলের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান তিলকরত্নে দিলশানকে। শেহান জয়াসুরিয়া যখন আরেক জয়াসুরিয়ার কথা একটু-আধটু মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ফেরালেন তাঁকেও। উদ্যাপনের ভঙ্গিই বুঝিয়ে দিল, গত কিছুদিনের ‘অসাকিবীয়’ পারফরম্যান্সে ভেতরে ভেতরে কেমন ফুঁসছিলেন!
সাকিব পুরোভাগে থাকতে পারেন, তবে এই জয় সম্মিলিত বোলিং পারফরম্যান্সের। নতুন বলে দুর্দান্ত তাসকিন ও আল আমিন। ভারতের বিপক্ষে বিবর্ণ মুস্তাফিজ আবারও আবির্ভূত সেই রহস্যময় বোলার হয়ে। উইকেট ১টি, কিন্তু ৪ ওভারে রান দিলেন মাত্র ১৯।
তাসকিনের প্রথম ওভারেই স্লিপে ক্যাচ ফেলেছিলেন সৌম্য। সেটি ভুলিয়ে দিলেন মিড অফ থেকে বাউন্ডারির দিকে দৌড়ে নেওয়া অসাধারণ এক ক্যাচে। ওই ক্যাচেই দিলশানের মৃত্যু।
পেছন ফিরে তাকিয়ে মনে হচ্ছে, টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের নতুন যুগে প্রবেশও!
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৪৭/৭
শ্রীলঙ্কা: ২০ ওভারে ১২৪/৮
ফল: বাংলাদেশ ২৩ রানে জয়ী

Monday, 28 December 2015

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত আসক্তি কাটাবে স্মার্ট অ্যাপ!

স্মার্টফোনের অতিরিক্ত আসক্তি কাটাবে স্মার্ট অ্যাপ!


যদি জিজ্ঞেস করা হয় নিজের কোন জিনিস ছাড়া এক পাও চলতে পারেন না? শতকরা একশো জনের মধ্যে নিরানব্বই জনই বলবেন স্মার্টফোন। দিন কে দিন সেই আসক্তি বাড়ছেই। ফোন ছাড়া যেন এক পাও চলছে না আপনার। সময় পেলেই ফোনে খুটুর খুটুর। তা নিয়ে পরিচিত-অপরিচিত প্রত্যেকেই আপনার উপর অসন্তুষ্ট হচ্ছে। চাইলেও আপনি ফোনের ‌অতিরিক্ত আসক্তি কাটাতে পারছেন না।
তা হলে উপায় কী?
আপনাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এসেছেন এক দল কোরীয় ইঞ্জিনিয়ার। স্মার্টফোনের অতিরিক্ত আসক্তি থেকে মুক্তি দিতে এসে গিয়েছে ‘লক অ্যান্ড লল’ নামে নতুন একটি অ্যাপ। দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়া অ্যাডভান্সড ইন্সটিটিউট অফ সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষকেরা তৈরি করেছেন অ্যাপটি।
কী ভাবে কাজ করবে অ্যাপটি?
নতুন কোন মেসেজ এসেছে কি না, সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ট্যাটাস আপডেট করা, সার্চ ইঞ্জিনে নতুন তথ্য পেতে, মেল চেক করার জন্য ঘন ঘন ফোন চেক করে মানুষ। গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক উইচিন লি জানিয়েছেন, এ খানেই অ্যাপটির কেরামতি। ব্যবহারকারীকে একটি নতুন রুম অথবা এখন যে রুমগুলি রয়েছে তাতে যোগ দিতে বলা হবে। শুধু ব্যবহারকারী নিজেই নন এই রুমগুলি ব্যবহার করতে পারবেন তাঁর বন্ধু-বান্ধব পরিচিত সকলেই। অ্যাপটি কার্যকর করতে হলে গ্রুপ লিমিট লক মোডটি অ্যাক্টিভেট করতে হবে। তার পরই কেল্লাফতে। অ্যাপটি অ্যাক্টিভেট করার পর ফোন লক হয়ে গেলে সমস্ত নোটিফিকেশন, অ্যালার্ম মিউট করা থাকবে। অনুমতি পেলে তবেই ফোনটি আনলক করতে পারা যাবে। বিশেষ কোন ক্ষেত্রেই শুধু প্রতি ঘণ্টায় মাত্র মিনিট পাঁচেকের জন্য ফোন ব্যবহার করা যাবে।
কতটা সফল হবে এই প্রচেষ্টা?
হাজার খানেক অংশগ্রহণকারীর উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে। মাস খানেক ধরে চালানো হয়েছে পরীক্ষা। কোরীয় গবেষকদের দাবি, শুধু নির্দিষ্ট স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই নয়,অতিরিক্ত আসক্তি ঝেড়ে ফেলতে আশপাশের ফোনের ব্যবহারকারীদেরও উত্সাহিত করবে অ্যাপটি। যাঁদের উপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে তাঁদের মধ্যে বেশির ভাগই বলেছেন লক অ্যাপের দৌলতে অন্তত ১০ হাজার ঘণ্টা বেঁচে গিয়েছে তাঁদের। তার ফলে আরও বেশি সময় তাঁরা পরিবারের সঙ্গে  কাটাতে পেরেছেন।
আধুনিক জীবনে অভ্যস্ত বেশির ভাগ জনই যখন আত্মকেন্দ্রিক হয়ে পড়ছে। তখন এই অ্যাপ নিঃসন্দেহে আত্মকেন্দ্রিকতা কমিয়ে পরিবারের মধ্যে ভালবাসা বাড়িয়ে তুলবে। কী বলেন?

রোজ রাতের দুধ, ভাগাবে অনিদ্রা

রোজ রাতের দুধ, ভাগাবে অনিদ্রা

রাতে আপনার ঘুম হচ্ছে না? ইনসোমনিয়ায় ভুগছেন? গাদা গাদা ঘুমের বড়ি গিলবেন না। তার থেকে বরং এক গ্লাস গরুর দুধ খান। নয়া এক গবেষণা বলছে রাত্রিবেলা সংগৃহীত গরুর দুধ (নাইট মিল্ক) ঘুমের অব্যর্থ ওষুধ।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইউমইয়াং রিসার্চ ইন্সটিটিউট ফর নিউরোসায়েন্স একটি গবেষণা জানাচ্ছে এই নাইট মিল্ক প্রচুর পরিমাণে ট্রিপ্টোফ্যান ও মেলাটোনিন রয়েছে। প্রাকৃতিক হরমোন মেলাটোনিন ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে। ট্রিপ্টোফ্যান সেরোটোনিন ও মেলাটোনিনে রূপান্তরিত হতে পারে।

আরও পড়ুন-জানতে চান আর কত বছর বাঁচবেন?

গবেষক দলটি জানাচ্ছে ‘‘দুধ ঘুমকে ত্বরান্বিত করে। এটা বহু আগে থেকেই জানা। এর মধ্যে এমন প্রচুর উপাদান আছে যা ঘুমের পক্ষে উপযোগী। এই গবেষণায় প্রমাণিত নাইট মিল্ক শুধু অনিদ্রা নয় দূরে ভাগায় উত্কণ্ঠাও।’’
জার্নাল অফ মেডিসিনাল ফুড-এ এই গবেষণাপত্রটি বেড়িয়েছে। 

Tuesday, 24 November 2015

আজ শেষ হচ্ছে হাতে লেখা পাসপোর্টের যুগ

আজ শেষ হচ্ছে হাতে লেখা পাসপোর্টের যুগ

বাংলাদেশের পাসপোর্ট 
আজ ২৪ নভেম্বর থেকে শেষ হচ্ছে হাতে লেখা পাসপোর্টের যুগ। আগামীকাল থেকে বিশ্বের কোনো বিমানবন্দরে হাতে লেখা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হবে না। ফলে যাঁদের যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) নেই, তাঁরা হাতে লেখা পাসপোর্ট নিয়ে কোনো দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। তবে তাৎক্ষণিকভাবে চাইলে দূতাবাস বা মিশন থেকে ‘ট্রাভেল পাসপোর্ট’ নিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন প্রবাসীরা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা বলছে, আজ পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ প্রবাসীর হাতে এমআরপি পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তবে হাতে লেখা পাসপোর্টধারীরা বিদেশ থেকে যদি কেউ আসতে চান, তবে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে মিশন থেকে একটি পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস নিয়ে দেশে আসতে পারবেন। এ ছাড়া যেসব প্রবাসী দেশে আছেন, তাঁদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এমআরপি করার সুযোগ থাকবে। আর দেশে-বিদেশে জরুরি প্রয়োজনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পাসপোর্ট সরবরাহ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পাসপোর্ট) মোস্তফা কামাল উদ্দিন। তাঁর মতে, গতকাল পর্যন্ত মোট ১ কোটি ২৫ লাখ এমআরপি পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এমআরপি ইস্যু করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন পাসপোর্ট অধিদপ্তর।
গত বৃহস্পতিবার সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, বিদেশে বসবাসরত ১১ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৭ জনকে এখনো যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) দিতে পারেনি সরকার। অন্যদিকে পাসপোর্ট অধিদপ্তর বলছে, এমআরপি পাননি, এমন প্রবাসীর সংখ্যা দুই লাখের বেশি হবে না।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের কোনো লোক বিপদে পড়বে না। কোনো ধরনের সমস্যা হবে না। তাৎক্ষণিক পাসপোর্ট দেওয়ার সব সুবিধা রয়েছে। আমাদের জানা নেই কোথা থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে ১১ লাখ লোককে পাসপোর্ট দিতে পারেনি সরকার।’
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোজাম্মেল হক খান বলেন, ভিসা নিয়ে যাঁরা বিদেশে রয়েছেন, যাঁদের ওয়ার্ক পারমিট রয়েছে, তাঁদের সঙ্গে এমআরপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। শুধু ভ্রমণের ক্ষেত্রে এমআরপির প্রয়োজন হবে। তবে তাঁদের দেশে ফিরতে সমস্যা হবে না।
 
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পাঁচ শ্রেণির প্রবাসীরা তাঁদের হাতে লেখা পাসপোর্ট যন্ত্রে পাঠযোগ্য পাসপোর্ট (এমআরপি) করাতে আগ্রহী হচ্ছেন না। এঁদের বেশির ভাগই অবৈধভাবে বিদেশে গেছেন বা আছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পাসপোর্ট) মোস্তফা কামাল উদ্দিন প্রথম আলোকে আরও বলেন, ‘আমরা স্বীকার করছি, দুই লাখ লোক এমআরপি আওতার বাইরে থাকবেন। সরকার এমআরপি করার জন্য প্রবাসীদের বারবার সুযোগ দিয়েছে। এখন টেলিভিশনেও বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি এ সুযোগ না নেন, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এর জন্য দায়ী থাকবেন।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এন এম জিয়াউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, যে দুই লাখ লোক এমআরপি আওতার বাইরে থাকবেন, তাঁরাও ধীরে ধীরে করে ফেলবেন।

কোমরব্যথা নিয়ন্ত্রণে ৯ পরামর্শ

কোমরব্যথা নিয়ন্ত্রণে ৯ পরামর্শ

.আমাদের চলাফেরা, বসা কিংবা দাঁড়ানোর ভঙ্গি কখনো কখনো সঠিক থাকে না। পরিণতিতে কোমরব্যথা ও মাজাব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে। মেরুদণ্ডের হাড়ের ক্ষয় বা অন্য কোনো সমস্যার পরিণামেও অনেক সময় কোমরে ব্যথা হয়। কারণ যা-ই হোক, কোমরব্যথার রোগীদের কিছু বিষয়ে সচেতনতা জরুরি। যেমন:
*সামনে ঝুঁকে বা নিচু হয়ে কোনো জিনিস মেঝে থেকে তুলবেন না। এ রকম প্রয়োজনে হাঁটু গেড়ে বসে তারপর জিনিসটি তুলতে হবে। নলকূপ বা টিউবওয়েল চেপে পানি তোলার মতো কাজ থেকেও বিরত থাকুন।
*নিচু হয়ে বঁটিতে কিছু কাটাকাটি করা বা মসলা বাটাও নিষেধ। দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করার উপযোগী চুলা ব্যবহার করতে হবে। পিঁড়ি বা মোড়ায় বসবেন না। হাই কমোড ব্যবহার করতে পারেন।
*ভারী জিনিস তুলবেন না। বহনও করবেন না। মেরুদণ্ডে সমস্যা থাকলে নিচু বা উবু হয়ে কাপড় কাচা বা ঘর মোছার মতো কাজও করবেন না।|
*জুতা বা মোজা পরার সময় টুলের ওপর বসে কোমর সোজা রাখুন।
*বসার চেয়ার যেন স্প্রিংয়ের না হয়। হাতলযুক্ত চেয়ার ভালো। দীর্ঘ সময় বসে কাজ করলে পিঠে বা মাজায় হালকা কুশন ব্যবহার করুন। পিঠ যেন সোজা থাকে।
*বিছানায় নরম ফোমের বদলে তোশক বা জাজিম ব্যবহার করুন। স্বাস্থ্যসম্মত (স্পাইন গ্রেডেড) ম্যাট্রেস ব্যবহার করা যেতে পারে। শোয়া থেকে ওঠার সময় একদিকে কাত হয়ে হাতে ভর দিয়ে তারপর উঠুন।
*পেছনে ব্যথা যাঁদের, তাঁরা মোটরসাইকেল বা বাইসাইকেল কিছুদিন এড়িয়ে চলুন। গাড়ি বা বাসের সামনের আসনে বসার চেষ্টা করুন।
*উঁচু হিলের জুতা, ব্যাকপকেটে মোটা মানিব্যাগ বা ভারী জিনিস রাখবেন না। বেশি ওজনের হাতব্যাগ বা ব্রিফকেস বহন করবেন না।
*ওজন নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্যকর চলাফেরার অভ্যাস করুন। তাহলেই ব্যথামুক্ত থাকবেন।

ডা. সুদীপ্ত কুমার মুখার্জি 
নিউরোসার্জারি বিভাগ জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল

Wednesday, 7 October 2015

কী ভাবে অপরিবর্তিত থাকে ডিএনএ? উত্তর দিয়ে এ বারের রসায়নে নোবেল












বংশগতির ধারাকে বহন করে ডিএনএ। কোষ থেকে কোষে ডিএনএ থেকে যায় অপরিবর্তিত। যা রাসায়নিক ভাবে অসম্ভব। তবে কী ভাবে তা সম্ভব হয়? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েই এ বছরের রসায়নের নোবেল শিরোপা পেলেন থমাস লিন্ডাল, পল বংশগতির ধারাকে বহন করে ডিএনএ। কোষ থেকে কোষে ডিএনএ থেকে যায় অপরিবর্তিত। যা রাসায়নিক ভাবে অসম্ভব। তবে কী ভাবে তা সম্ভব হয়? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েই বছরের রসায়নের নোবেল শিরোপা পেলেন থমাস লিন্ডাল, পল মোদরিচ এবং আজিজ স্যাঙ্কার
থমাসের জন্ম সুইডেনে। এখন কাজ করছেন ব্রিটেনে। মার্কিনি পল স্বদেশেই কাজ করছেন। আর আজিজের জন্ম তুরস্কে। তবে এখন আমেরিকায় কর্মরত। তিন জনই উপরের প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন আলদা আলাদা ভাবে। তাই বছরের পুরস্কার সমান ভাবে ভাগ করে নেবেন তাঁরা
মানুষের ক্ষেত্রে শুক্রাণুর ২৩টি আর ডিম্বাণুর ২৩টি ক্রোমোজোম জুড়ে মাতৃগর্ভে প্রথম কোষটিতে তৈরি হয় প্রথম ডিএনএ। তার পরে দুই, চার, আট... কোষ থেকে কোষান্তরে ডিনএনএ অধিষ্ঠান। সব মিলিয়ে গর্ভধারণের প্রথম সপ্তাহে মোট ১২৮টি কোষের ডিএনএ-কে যোগ প্রায় ৩০০ মিটার দীর্ঘ হবে। আর পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহের সব কোষের ডিএনএ- মোট দৈর্ঘ্য হবে পৃথিবী থেকে সূর্য ২৫০ বার যাওয়া-আসার সমান। কিন্তু কী আশ্চর্য এই অসংখ্য কোষের প্রতিটি ডিএনএ একই রকম দেখতে! কিন্তু রসায়নের নিয়ম বলে অসম্ভব
বিষয়টি নিয়ে ৬০’-এর দশক থেকেই মেতে আছেন থমাস লিন্ডাল। বিবর্তনের জন্য ডিএনএ- পরিবর্তন হয়। কিন্তু তা তো মাসে-মাসে। কিন্তু ডিএনএ-এমনিতে বিশেষ পরিবর্তিত হয় না। থমাস দেখলেন, ডিএনএ- ক্ষয় হয়। কিন্ত তা সেরেও যায়। আর এই ক্ষয়-প্রতিরোধী ব্যবস্থাই ডিএনএ-কে অপরিবর্তি রাখে
কী ভাবে?
ব্যাকটিরিয়ার উপরে পরীক্ষা করে থমাস দেখলেন কারণ বিশেষ ধরনের ৎসেচক। তার পরে ৩৫ বছরের দীর্ঘ গবেষণা। শুধু ব্যাকটিরিয়ার নয়, মানব শরীরেও এই ধরনের ৎসেচকের সন্ধান পেলেন থমাস। ১৯৯৬- গবেষণাগারে মানব শরীরের ডিএনএ- সেই মেরামতি প্রক্রিয়ার পুনর্নিমাণ করলেন
কিন্তু ডিএনএ- ক্ষয় তো শুধু শরীরের ভিতরের নানা কারণ থেকেই হয় না, বাইরের প্রভাব থেকেও হয়। যেমন, অতিবেগুনি রশ্মি। আর এই প্রক্রিয়াটা নিয়েই ভাবনা চিন্তা তুরস্কের আজিজ স্যাঙ্কারের। চিকিৎসক হিসেবে শুরু করলেও, জৈব রসায়নের টানে ডাক্তারি ছেড়ে গবেষণার জন্য সোজা আমেরিকা। একটি বিষয় তাঁকে অনেক দিন ধরে ভাবাচ্ছিল। অতিবেগুনি রশ্মির মরণকামড়ের পরেও কোনও ব্যাকটিরিয়াকে নীল আলোয় রাখলে সে সেরে ওঠে। কেন এমন হয়? এর পিছনেও সেই ৎসেচকের খেলা। প্রক্রিয়াটিকে বিশদে বুঝতে সাহায্য করলেন আজিজ
আর পল মোদরিচের কাজ ডিএনএ- মেরামতির প্রক্রিয়াটি নিয়েই। ১৯৬৩-তে ডিএনএ- গঠন আবিষ্কার করে সদ্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জেমন ওয়াটসন এবং ফ্রান্সিস ক্রিক। সেই থেকে জীববিজ্ঞানের শিক্ষক বাবার প্রভাবে ডিএনএ- প্রতি আকর্ষণ পলের। সেই আকর্ষণ রয়েও গেল আজন্ম। পল দেখালেন কোথায় ডিএনএ- মেরামতি দরকার তা কী ভাবে ঠিক হয়
নোবেল কমিটির মতে, আলাদা আলাদা ভাবে এই তিন জনের কাজ কোষ নিয়ে আমাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়িয়ে দিল। জানাল, ডিএনএ- এই মেরামতি ঠিকঠাক না হলে ক্যানসারের আশঙ্কা থেকে যায়। পাশাপাশি এঁদের কাজ জিন-ঘটিত অসুখগুলিকে আরও গভীর ভাবে বুঝতেও সাহায্য করল বলেও জানিয়েছে নোবেল কমিটি

Saturday, 5 September 2015

সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়া পুত্রশোকে পাথর বাবার আর্তি, যুদ্ধ বন্ধ হোক

সমুদ্রে হারিয়ে যাওয়া পুত্রশোকে পাথর বাবার আর্তি, যুদ্ধ বন্ধ হোক


1

আয়লান এবং গালিপের হাত ধরে রয়েছেন আবদুল্লা।

প্রশাসনের নজর এড়াতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাত ৩টেয় রবারের ছোট নৌকায় রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। বাঁচার জন্য গ্রিসে পৌঁছনোটা ছিল খুব জরুরি। কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর কোনও উপায়ই ছিল না। বাধ্য হয়েই জীবন বাজি রেখে গভীর রাতে সমুদ্রপথ বেছে নিয়েছিলেন তিনি। নৌকা পাওয়া যাচ্ছিল না। তার ব্যবস্থা করতে অসাধু ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন নগদ চার হাজার ইউরো। তা সত্ত্বেও নতুন জীবনের পথে যাওয়া হল না আবদুল্লার! ১৫ ফুট উঁচু ঢেউ এক ঝটকায় যেন তছনছ করে দিল তাঁর জীবন। স্ত্রী এবং পুত্রশোকে বিহ্বল বাবার এখন একমাত্র আর্জি, যুদ্ধ বন্ধ হোক।
তাঁরই তিন বছরের ছেলে আয়লানের দেহ ভেসে এসেছে তুরস্কের উপকূলে। যে ছবি দেখে শিউরে উঠেছে গোটা বিশ্ব। শরণার্থীদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া এবং একই সঙ্গে শান্তিরক্ষার দাবিতে সরব হয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলি। তোলপাড় শুরু হয়েছে গোটা বিশ্বে। অথচ তাঁরই ভিতরটা এখন ফাঁকা।
বৃহস্পতিবার আয়লানের দেহ নেওয়ার জন্য তুরস্কের এক মর্গে যান আবদুল্লা। প্রিয়জনদের হারিয়ে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছেন তিনি। জীবন থেকে তাঁর আর কিছুই পাওয়ার নেই। ছলছল চোখে আবদুল্লা বলেন, ‘‘আমার কাছে আর কোনও কিছুরই মূল্য নেই। যা মূল্যবান ছিল তা হারিয়েছি।’’
এ ভাবেই পড়েছিল ছোট্ট আয়লানের দেহ। 
তুরস্কের ওই ঘটনার পরে তোলপাড় হয়েছে বিশ্ব জুড়ে। সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে। এমনকী, বাদ যাননি আবদুল্লাও। বাবা হয়ে একরত্তি দুই শিশুকে কেন এ ভাবে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিলেন, তা নিয়ে শ’য়ে শ’য়ে আঙুল উঠেছে তাঁর দিকেও। প্রশ্ন উঠেছে, কেন লাইফ জ্যাকেট পরানো হয়নি? সমালোচনার মুখে অবশ্য মানুষ ভুলে গিয়েছেন আসল বিষয়টিই। ভুলে গিয়েছে কোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে আবদুল্লারা দেশ ছেড়েছেন।
এ দিন আবদুল্লার দাবি, লাইফ জ্যাকেট তাঁদের ছিল। কিন্ত দুর্ঘটনার সময় তা কোনও ভাবে গা থেকে খুলে যায়। যদিও তুরস্কের পুলিশের দাবি, এত ছোট সাইজের লাইফ জ্যাকেট সেখানে অমিল।
প্রশাসনের নজর এড়াতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাত ৩টেয় রবারের ছোট নৌকায় রওনা দিয়েছিলেন তাঁরা। পাঁচ ফুট উঁচু বিপজ্জনক ঢেউয়ের আঘাতে প্রতি মুহূর্তেই ছিল ডুবে যাওয়ার ভয়। কিন্তু পিছনে ফেরার উপায়ও যে ছিল না! সিরিয়া ছেড়ে সপরিবারে কানাডায় বোনের কাছে যাচ্ছিলেন তিনি। আবদুল্লার বোন টিমা কুর্দি কানাডার বাসিন্দা। যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ায় সবই হারিয়েছিলেন আবদুল্লা। টাকা ছিল না। সিরিয়া থেকে কানাডা-এই দীর্ঘ পথ পেরিয়ে দাদাকে তাঁর কাছে আসার জন্য টাকাও পাঠিয়েছিলেন টিমা। সেই টাকার ভসাতেই রওনা দেন আবদু্ল্লারা। মাঝসমুদ্রে ঘটে বিপত্তি। পাঁচ ফুট উঁচু ঢেউ নিমেযের মধ্যেই বদলে যায় ১৫ ফুটের দৈত্যে। উল্টে যায় নৌকা। সন্তানদের, স্ত্রী-কে বাঁচানোর প্রাণপণ চেষ্টা করেছিলেন তিনি। নিজে ডুবে যেতেও যেতেও চেষ্টা করেছিলেন ছেলেদের মুখ জলের উপরে রাখতে, যাতে তারা শ্বাস নিতে পারে। কিন্তু পারেননি। চোখের সামনেই তাঁদেরকে ডুবে যেতে দেখেন আবদুল্লা।
ফোনে দাদার থেকে সব শুনেছেন টিমা। তাঁর আফসোস, কেন টাকা পাঠালাম? তা না হলে হয়ত দাদা সিরিয়াতেই থেকে যেত। পাশাপাশি তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কানাডা সরকারের বিরুদ্ধেও। এর আগে তাঁর সঙ্গে কানাডায় বসবাস করার জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন এক দাদা। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায়। ঘটনা সামনে আসার পর সমালোচকদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারও।



ব্যভিচার থেকে বাঁচার ৩ দোয়া

জিনা (ব্যভিচার) ও অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকতে কোরআন এবং হাদিসে বেশ কিছু কার্যকর দোয়ার কথা বলা হয়েছে। এমন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া অর্থ, উচ্চ...