চলতি বছরের শুরুতেই জ্যোতির্বিদ্যা ও পঞ্জিকা অনুযায়ী জানা গেছে এই বছরে আকাশে দেখা যাবে মোট চারটি গ্রহণ। এর মধ্যে দুটি সূর্যগ্রহণ ও দুটি চন্দ্রগ্রহণ।
আসুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণ কবে, কী ধরনের হবে এবং কোথায় দৃশ্যমান—
সূর্যগ্রহণ
২০২৬ সালের প্রথম সূর্যগ্রহণ ঘটবে ১৭ ফেব্রুয়ারি। এটি একটি বলয়াকার সূর্যগ্রহণ হবে। এই গ্রহণ বাংলাদেশ ও ভারতে দৃশ্যমান হবে না। তবে এটি দেখা যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, জাম্বিয়া, মোজাম্বিক, তানজানিয়া, মরিশাস, অ্যান্টার্কটিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার কিছু অংশে।
চলতি বছরের দ্বিতীয় সূর্যগ্রহণ হবে ১২ আগস্ট শ্রাবণ মাসের অমাবস্যায়। এই গ্রহণটি দৃশ্যমান হবে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, আফ্রিকা, আর্কটিক অঞ্চল, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও স্পেনে।
চন্দ্রগ্রহণ
২০২৬ সালের প্রথম চন্দ্রগ্রহণ হবে ৩ মার্চ। এটি হবে আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। এই চন্দ্রগ্রহণটি ভারতসহ এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বহু দেশে দেখা যাবে।
চলতি বছরের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ ঘটবে ২৮ আগস্ট। এটি পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এই গ্রহণটি বাংলাদেশ ও ভারতে দেখা যাবে না। তবে এটি দৃশ্যমান হবে ইউরোপ, আফ্রিকা এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে।
বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে চারদিকে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে এবার আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
সোমবার (৫ ডিসেম্বর) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ফিরোজ খান। সম্প্রচার বন্ধ রাখতে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক আগামী ২৬ মার্চ থেকে অনুষ্ঠেয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের তারকা খেলোয়াড় মোস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স দল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এমন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।
এমতাবস্থায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) সব খেলা এবং অনুষ্ঠান প্রচার/সম্প্রচার বন্ধ রাখার জন্য টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ নির্বাহীদের নির্দেশনা দেওয়া হয় চিঠিতে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটকের পর মার্কিন যুদ্ধজাহাজে করে নিউইয়র্কে নেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ফক্স নিউজের উপস্থাপক গ্রিফ জেনকিন্স ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘আপনি কি আমাদের বলতে পারেন যে মাদুরো ও তার স্ত্রী এই মুহূর্তে কোথায় আছেন?’
জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা নিউইয়র্ক যাচ্ছেন।’
গ্রিফিন প্রশ্ন করেন, ‘তাদের কি প্রথমে জাহাজে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল?’
হ্যাঁ সূচক উত্তর দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা ইউএসএস ইও জিমা জাহাজে আছে। তাদের নিউইয়র্কে নেওয়া হবে। হেলিকপ্টারে তাদের প্রথমে প্রাসাদ থেকে বের করে আনা হয়। তারা হেলিকপ্টারে খুব ভালো একটি ফ্লাইটে করে গেছেন—আমার বিশ্বাস তারা এই ফ্লাইট খুব পছন্দ করেছেন। কিন্তু মনে রাখুন, মাদুরো ও তার স্ত্রী অনেক অনেক মানুষকে হত্যা করেছেন।’
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় হামলার আগে মাদুরোকে সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
কী ধরনের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমি বলেছিলাম, আপনাকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, আত্মসমর্পণ করতে হবে।’
মাদুরোর সঙ্গে এক সপ্তাহ আগে কথা বলেছিলেন জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা আলোচনা করেছি। আমি আসলে নিজে তার সঙ্গে কথা বলেছিলাম। কিন্তু আমি তাকে বলেছিলাম, আপনাকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে, আত্মসমর্পণ করতে হবে।’
এর আগে স্থানীয় সময় শুক্রবার দিবাগত রাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে যায় মার্কিন বাহিনী।
আন্টার্কটিকার বরফের দুই কিলোমিটার গভীরে সন্ধান মিলল হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের, বয়স সাড়ে তিন কোটি বছর
আদিকাল থেকে আন্টার্কটিকা কিন্তু বরফে মোড়া ছিল না। কোটি কোটি বছর আগে এই মহাদেশ মুড়ে থাকত গভীর অরণ্যে। এমনই এক হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের খোঁজ মিলেছে আন্টার্কটিকার বরফের চাঁইয়ের নীচে।
আন্টার্কটিকায় বরফের চাঁই। ছবি: সংগৃহীত।
আন্টার্কটিকার চাঁই চাঁই বরফের নীচে লুকিয়ে আছে এক হারিয়ে যাওয়া ‘পৃথিবী’। সবুজে ঘেরা এক গভীর বনভূমি হারিয়ে গিয়েছে আন্টার্কটিকার বরফের তলায়। পৃথিবীর একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত এই মহাদেশে কোনও মনুষ্যবসতি নেই। চারদিক শুধু সাদা আর সাদা। যে দিকে চোখ যায়, শুধুই বরফের চাঁই। কিন্তু শুরু থেকেই আন্টার্কটিকা এমন ছিল না! কোটি কোটি বছর আগে এই মহাদেশ ছিল সবুজে ঘেরা বনভূমি। ছিল গভীর জঙ্গল। এমনটাই দাবি গবেষকদের।
আন্টার্কটিকায় এখনও কিছু গাছ দেখা যায়। সেগুলি মূলত গুল্মজাতীয়। তবে গবেষকেরা দাবি করছেন, গুল্মজাতীয় নয়, এক কালে বড় বড় উদ্ভিদও ছিল আন্টার্কটিকায়। এখন যে সব অঞ্চলে গুটি গুটি পায়ে পেঙ্গুইনেরা ঘুরে বেড়ায়, সেই সব জায়গা বহু বছর আগে ভরে থাকত সবুজ বনভূমিতে।
আন্টার্কটিকায় কোনও কালেই স্থায়ী ভাবে মনুষ্যবসতি গড়ে ওঠেনি। শুধুমাত্র গবেষণার কাজে সাময়িক ভাবে সেখানে মানুষ থাকে। কয়েক বছর আগে তেমনই এক গবেষণা চলছিল ব্রিটেনের ডারহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টুয়ার্ট জেমিসনের নেতৃত্বে। আন্টার্কটিকার বরফের আস্তরণে কী ভাবে ছোট ছোট পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়েই গবেষণা করছিলেন তাঁরা। সেই সূত্র ধরে মহাদেশের কঠিন বরফের গায়ে গর্ত খুঁড়তে শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দু’কিলোমিটার গভীর গর্ত খোঁড়ার পরে তাঁরা এমন কিছু খুঁজে পান, যা এই মহাদেশ নিয়ে বিশ্ববাসীর ধ্যানধারণাই বদলে দেয়।
ড্রিল মেশিন দিয়ে সাবধানে একটু একটু করে বরফের গায়ে গর্ত করা হচ্ছিল। সেই গর্ত খুঁড়ে প্রায় দুই কিলোমিটার গভীরে যাওয়ার পরে তাঁরা খুঁজে পান এক হারিয়ে যাওয়া জগৎ। বরফের নীচে চাপা পড়ে থাকা পলির নমুনায় পাওয়া যায় উদ্ভিদের জীবাশ্ম। তার মধ্যে যেমন রয়েছে পরাগরেণুর নমুনা, তেমনই রয়েছে গাছের পাতার টুকরো টুকরো জীবাশ্ম । বহু বছর আগে মৃত কিছু অণুজীবের নমুনাও মেলে। ওই নমুনাগুলি পরীক্ষা করে গবেষকদের দাবি, এগুলি প্রায় ৩ কোটি ৪০ লক্ষ বছরের পুরনো।
আরও পড়ুন:
৬০ তলা বাড়ির সমান উঁচু ঢেউয়ের সুনামি! বিশ্ব জুড়ে ভূমিকম্প হয়েছিল টানা ন’দিন, অবশেষে রহস্য উদ্ঘাটন
পূর্ব আন্টার্কটিকার উইলকিস ল্যান্ড এলাকায় এই গবেষণাটি চালান জেমিসনেরা। তাঁদের দাবি, উদ্ভিদের যে ধরনের নমুনা মিলেছে, তা আভাস দেয়, গোটা এলাকাই এক সময়ে গভীর অরণ্যে মোড়া ছিল। জেমিসনের কথায়, “এটা একটি টাইম ক্যাপসুলের মতো। এটা এমন এক সময়ের হারিয়ে যাওয়া জগতের কথা বলে, যখন আন্টার্কটিকা এখনকার মতো বরফে মোড়া প্রান্তর ছিল না।”
বরফের নীচে হারিয়ে যাওয়া এই বনভূমির সন্ধান পাওয়ার পরে গবেষণা আরও প্রশস্ত করেন জেমিসনেরা। গবেষণার জন্য তাঁরা কানাডার কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবস্থা ‘র্যাডারস্যাট’-এর সাহায্য নেন। ওই কৃত্রিম উপগ্রহ-প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁরা বরফের স্তরের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পরিবর্তনগুলি চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। তাতে ভূপৃষ্ঠে নদী-উপত্যকার মতো কিছু গড়ন দেখতে পান তাঁরা। গবেষকদের অনুমান, কোটি কোটি বছর আগে আন্টার্কটিকায় নদীও ছিল।
যদিও এই বনভূমি যে সময়ে তৈরি হয়েছিল তখন আন্টার্কটিকা আক্ষরিক অর্থে আন্টার্কটিকা হয়ে ওঠেনি। ‘জন্ম’ই হয়নি আন্টার্কটিকা মহাদেশের। তখন এই অংশটি ছিল ‘সুপার কন্টিনেন্ট’ গন্ডোয়ানার অংশ। আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে মিশে ছিল আন্টার্কটিকাও। ১৮ কোটি বছর আগে জুরাসিক যুগে গন্ডোয়ানা ধীরে ধীরে ভাঙতে শুরু করে। তৈরি হতে থাকে এক একটি মহাদেশ। গবেষকদের দাবি, তার আগে পর্যন্ত এই তখন আন্টার্কটিকায় নদী, জঙ্গল সবই ছিল। ‘সুপার কন্টিনেন্ট’ ভেঙে যাওয়ার পরেও সেগুলির অস্তিত্ব ছিল। তার পরে ধীরে ধীরে বরফের চাদরের নীচে চাপা পড়ে যায় এই বনভূমি।
আন্টার্কটিকায় এই হারিয়ে যাওয় অরণ্যের খোঁজ পরিবেশ বিজ্ঞানীদের কাছে ভবিষ্যৎ গবেষণার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন জেমিসনেরা। তাঁদের বক্তব্য, কোটি কোটি বছর ধরে আন্টার্কটিকার গড়ন, বিশেষত বরফের স্তর কী ভাবে পরিবর্তন হয়েছে, তা বুঝতে সাহায্য করবে এই গবেষণা। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কী প্রভাব পড়তে পারে, তা নিয়ে আগামী দিনের গবেষণাতেও আন্টার্কটিকার বরফের স্তর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইরান। দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার টানা পঞ্চম দিনের মতো বিক্ষোভে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ৩০ বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স জানায়, তেহরানের প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে লোরেস্তান প্রদেশের আজনা শহরে বিক্ষোভে কমপক্ষে তিনজন নিহত এবং ১৭ জন আহত হয়েছেন।
ফার্স জানায়, রাজধানী তেহরানের প্রায় ৪৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে চাহারমহল ও বাখতিয়ারি প্রদেশের লর্ডেগান শহরে বিক্ষোভ চলাকালীন দুজন নিহত হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো কোনো বিক্ষোভকারী প্রাদেশিক গভর্নরের কার্যালয়, মসজিদ, শহীদ ফাউন্ডেশন, টাউন হল এবং ব্যাংকসহ শহরের প্রশাসনিক ভবনগুলোতে পাথর ছুড়তে শুরু করে। তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ব্যবহার করে পুলিশ।
ভারত-পাকিস্তান সংঘাতে এবার চীনের মধ্যস্থতার দাবি, প্রত্যাখ্যান ভারতের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার চীনও দাবি করেছে, অপারেশন সিঁদুর পর্বে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করেছিল। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি দাবি করেছেন, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে 'অপারেশন সিঁদুর' সংঘাতে বেইজিং মধ্যস্থতা করেছিল। অবশ্য ভারত দৃঢ়ভাবে এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। ভারত বলেছে, যুদ্ধবিরতি একটি দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্ত ছিল এবং কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছিল না। বরং ভারতীয় সেনাবাহিনী সংঘাতের সময় পাকিস্তানের প্রতি চীনের সমর্থনের কথা উল্লেখ করেছিল।
পর্যবেক্ষকদের মতে, 'ভূ-রাজনীতিতে চীনের আরও বড় ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্য এই দাবির পেছনে থাকতে পারে। ভারত অবশ্য ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের ক্ষেত্রে বহুবার এটি স্পষ্ট করেছে যে, যুদ্ধ বিরতিতে কোনও তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা ছিল না। গত সাত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রায় ২৫ বার নানা সময়ে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির জন্য নিজের কৃতিত্ব দাবি করেছেন। মধ্যস্থতার জন্য নিজের ভূমিকা তুলে ধরতে শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারির কথাও বলেছেন। কিন্তু ভারত কখনো ট্রাম্পের এই সব দাবিকে মেনে নেয়নি। বরং ভারত বলেছে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর অনুরোধে ভারত যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্তে সন্ততি দিয়েছিল।
সুইজারল্যান্ডে একটি বারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুনে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০০ জন। সুইস পুলিশের বরাত দিয়ে একথা জানিয়েছে ইতালির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার মধ্যরাতে নববর্ষের প্রাক্কালে স্কি রিসোর্ট শহর ক্র্যানস মন্টানায় এ বিস্ফোরণে ঘটে। খবর বিবিসির।
বুধবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণ হয়। এ সময় বারটিতে নববর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠান চলছিল। বারটি পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে অনেকেই জড়ো হয়েছিলেন সেখানে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিবেচনা করা হচ্ছে না। তবে বিস্ফোরণের কারণ এখনো স্পষ্ট নয়।
বিস্ফোরণের পরপরই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ, দমকল বাহিনী ও জরুরি চিকিৎসা দল। উদ্ধার অভিযানে সহায়তা করে বেশ কয়েকটি হেলিকপ্টার। ক্ষতিগ্রস্তদের আত্মীয় স্বজনদের জন্য খোলা হয় বুথ।
পুলিশ জানিয়েছে, এলাকাটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার পর উদ্ধার কাজে সুবিধার জন্য ক্রানস মোন্টানায় নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়েছে।